হোম > ছাপা সংস্করণ

এবার বিপিএলে ভালো উইকেটের চ্যালেঞ্জে বোলাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

এবারের বিপিএলে তিন ভেন্যুতেই বেশ ভালো উইকেটে খেলা হচ্ছে। প্রায় নিয়মিতই দেখা যাচ্ছে হাই-স্কোরিং ম্যাচ। তিন ভেন্যুতেই ২০০ ছাড়ানো ইনিংসের যেমন দেখা মিলেছে, তেমনি ২০০ রান তাড়া করার ঘটনাও আছে। এবার বিপিএলে ভালো উইকেটের হাপিত্যেশ কমেছে ব্যাটারদের।

ভালো উইকেট ব্যাটারদের আশা পূরণ করে বোলারদের চ্যালেঞ্জ বাড়িয়েছে। দেশে সাধারণত এ ধরনের উইকেটে খেলা হয়ে ওঠে না বাংলাদেশের বোলারদের।এবার তাই নতুন নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি ইবাদত হোসেন-খালেদ আহমেদের। নিজেদের বোলিংয়ের গভীরতা সম্পর্কেও ধারণা হচ্ছে তাঁদের। খালেদ সাদা বলে না খেললেও সাম্প্রতিক সময়ে তিন সংস্করণে নিয়মিত খেলছেন ইবাদত। বিপিএলে ভালো উইকেটে বোলিংয়ের অভিজ্ঞতা অবশ্য খুব একটা সুখকর নয় তাঁদের।

খালেদ যেমন ফরচুন বরিশালের ১০ ম্যাচের ৭টি খেলেছেন। উইকেট ৫টি। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ১০.২১ করে। গতকাল দলের অনুশীলন শেষে ভালো উইকেটে বোলিং নিয়ে খালেদ বলছিলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সব সময় ব্যাটিংসহায়ক হয়। ব্যাটারদের সহায়তা বেশি থাকে। আমরা অনেকটা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। যতটা সম্ভব চেষ্টা করছি কীভাবে রান কম দেওয়া যায়। যেহেতু উইকেট স্পোর্টিং, চেষ্টা করে যেতে হয়। টি-টোয়েন্টিতে সুযোগ আসে অনেক কিছু ভালোভাবে মানিয়ে নেওয়ার।’

ব্যাটিংয়ের মতো সেরা ১০ উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় বাংলাদেশের বোলারদের দাপট তুলনামূলক কম। তবু ছয়জন আছেন এই তালিকায়। তবে ওভারপ্রতি রান দেওয়ায় বিদেশি বোলারদের মতো কার্যকারিতায় পিছিয়ে বাংলাদেশের বোলাররা। ১৩ উইকেট নিয়ে তালিকার চারে থাকা সিলেট স্ট্রাইকার্স পেসার রেজাউর রহমান রেজা ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ৮.৪১। সমানসংখ্যক উইকেট নিয়ে তাঁর ঠিক ওপরে থাকা দুই পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির ও ওয়াহাব রিয়াজ সেখানে ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ৫. ৯৫ ও ৬.৯০।

এখানে নিজেদের স্কিলের ঘাটতি দেখছেন বরিশালের পেসার ইবাদত। তিনি মনে করেন, আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপেও থাকবে রানবান্ধব এমন উইকেট। ইবাদত বলছিলেন, ‘২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ আছে ভারতে। ধারণা করছি, ওখানেও এ রকম উইকেট থাকবে, মানে ভালো ব্যাটিং উইকেট হবে। বিপিএলে এ রকম উইকেটে খেলে বুঝেছি, আমাদের বোলারদের স্কিল আরও উন্নতি করতে হবে যে আমরা কীভাবে এসব উইকেটে বল করতে পারি। কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে পারি। পেস বোলারদের স্কিলে উন্নতি করতে হবে।’ বিপিএলে বরিশালের হয়ে মাত্র ৪ ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন। রান বিলিয়েছেন দেদার, উইকেটের ঘরও শূন্য। এই বিপিএলকে তাই নিজের জন্য শিক্ষা হিসেবে দেখছেন ইবাদত, ‘এই বিপিএলটা আমার জন্য দারুণ শেখার মঞ্চ। স্কিলে ঘাটতি ছিল, প্রয়োগে সমস্যা ছিল। কাজ করছি এটা নিয়ে।’

সেরা উইকেটশিকারির তালিকায় নেই বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলে নিয়মিত খেলা স্পিনাররা। নাসুম আহমেদ ওভারপ্রতি ৬.০৫ রান দিলেও উইকেট পেয়েছেন মাত্র ৬টি। প্রত্যাশা অনুযায়ী উইকেটশিকার না করতে পারার ব্যাখ্যায় নাসুম জানিয়েছিলেন, দলে তাঁর ভূমিকা রান আটকানো।

ভালো উইকেটে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও বোলাররা একেবারে খারাপ করছেন না বলে মনে করেন হাবিবুল বাশার সুমন। বিসিবির এই নির্বাচক গতকাল আজকের পত্রিকাকে বলছিলেন, ‘ব্যাটাররা তো ভালো করছেই। বোলাররাও ভালো করার চেষ্টা করছে। এ ধরনের উইকেটে যেটা আশা করা হয়, ব্যাটাররা একটু রান করবে। যেহেতু উইকেট ভালো। বাইরে যখন খেলতে যায়, এমনকি বাংলাদেশেও যখন বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট হয়, উইকেট এমনই হবে। এখানে বোলারদেরও শেখার জায়গা আছে।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ