হোম > ছাপা সংস্করণ

অসময়ের বৃষ্টিতে দুর্ভোগ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

অসয়ের বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পড়েছে শরীয়তপুর জেলা শহরের মানুষ। বৃষ্টির সঙ্গে বয়ে যাওয়া ঠান্ডা বাতাসের কারণে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। শীতের গরম জামাকাপড় পরে ছাতা মাথায় দিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হচ্ছেন শহরবাসী।

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে গত শনিবার সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে শরীয়তপুর জেলা শহরসহ ৬টি উপজেলায়। গতকাল রোববার সকাল থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা বেড়ে যায়। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও কর্মমুখী মানুষ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হয়নি শহরের অধিকাংশ মানুষ। সকালের ভারী বর্ষণে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা। সামনে বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েছে অধিকাংশ শিক্ষার্থী। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার ছিল কিছুটা কম। ছুটির পর বিদ্যালয়সহ আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনায় দীর্ঘ সময় আটকা থাকতে দেখা গেছে অনেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের। বৃষ্টি আর শীতের কারণে আটকা পরায় অনেককেই কিছুটা বিলম্বে কর্মস্থলে যোগ দিতে দেখা গেছে।

জেলা শহরের এসডিএস একাডেমির প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী স্বাধীন বৃষ্টিতে ভিজে ধানুকা থেকে বিদ্যালয়ে এসেছে। ছুটির পর বিদ্যালয়েই মায়ের সঙ্গে দীর্ঘ সময় আটকা থাকতে হয়েছে স্বাধীনসহ অনেক শিক্ষার্থীকে। স্বাধীনের মা শারমিন আক্তার বলেন, ‘সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। সামনে পরীক্ষা তাই বৃষ্টির মধ্যেও ছেলেকে নিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হয়েছে। ছুটির পর দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে আছি। বৃষ্টির কারণে রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যাও অনেক কম। বৃষ্টি কিছুটা কমে এলে ছেলেকে নিয়ে বাড়ি যাব।’

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শীতের এই সময়ের হালকা বৃষ্টিতে মাঠে থাকা পেঁয়াজ, রসুন, ধনিয়া, মসুর ডাল, কালাইসহ শীতকালীন সবজির ক্ষতির আশঙ্কা নেই। বরং অনেক ফসলের জন্যই এই বৃষ্টি উপকারী। তবে বৃষ্টিপাত দীর্ঘস্থায়ী হলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

জাজিরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত এই বৃষ্টি ফসলের জন্য ক্ষতির কারণ হবে না। শীতকালীন সবজিসহ রবি শস্যের জন্য বৃষ্টির পানি উপকারী। তবে বৃষ্টির কারণে ফসলি মাঠের কোথাও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।’

শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র পারভেজ রহমান বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) থেকে শহরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে হালকা বৃষ্টিপাতে শহরের কোথাও জলাবদ্ধতার খবর পাইনি।’

এদিকে, মাদারীপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলে গতকাল রোববার দিনভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া গেছে। এতে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে লঞ্চ, ফেরি চলাচল করলেও বৃষ্টির কারণে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।

শিবচর উপজেলার পাঁচ্চর এলাকার ভ্যানচালক জসিম মিয়া বলেন, ‘গত সকাল (শনিবার) থেকে বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে বেশ শীত। ভ্যান চালাতে কষ্ট হচ্ছে। আয়-রোজগারও কম।’

এদিকে, অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা না থাকায় সকাল থেকেই বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে লঞ্চ, ফেরি ও স্পিডবোট চলছে। তবে বৃষ্টির কারণে যাত্রীরা স্পিডবোটের পরিবর্তে লঞ্চ ও ফেরিতে পারাপার হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএ’র বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, ‘পদ্মা শান্ত থাকায় লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক আছে। তবে শীতের সময় এই বৃষ্টিতে বেশ দুর্ভোগ পদ্মাপাড়ে।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ