ঢাকার সাভারের অটোরিকশাচালক মাসুদ শেখ (২৭) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার ফরিদ (৩৩)। গতকাল শুক্রবার মানিকগঞ্জ জেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রওশন জাহানের আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক মো. আনিসুর রহমান।
এর আগে গত বুধবার বিকেলে সাভারের আড়াপাড়া বালুর মাঠ এলাকার রফিকের রিকশা গ্যারেজ থেকে ফরিদকে আটক করে র্যাব-৪। বৃহস্পতিবার আসামিকে সিঙ্গাইর থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে গতকাল শুক্রবার তাঁকে আদালতে পাঠায় সিঙ্গাইর থানা-পুলিশ।
আসামি ফরিদ মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানার কাংশা এলাকার নুরুল হকের ছেলে। তাঁর দেওয়া তথ্য মতে মাসুদ শেখের অটোরিকশা ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু ও গামছা সিঙ্গাইর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ফরিদকে আটকের পর র্যাব-৪ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক বলেছিলেন, ‘এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। গ্রেপ্তারকৃত আসামি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে মাসুদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। মাসুদের অটোরিকশা ভাড়ায় নিয়ে মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর থানার দাশেরহাটি আলমমারা ব্রিজ সংলগ্ন নির্জন স্থানে নিয়ে যান। পরে তাঁকে গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে ও ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে মরদেহ ফেলে আসেন।’
এর আগে গত ২ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন অটোরিকশাচালক মাসুদ শেখ। পরবর্তীতে ৫ অক্টোবর মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানার দাশেরহাটি এলাকা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই সিঙ্গাইর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগীর পরিবার।