শাল্লা উপজেলার শাহ আরফিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি কক্ষ ও বসার সরঞ্জাম না থাকায় সংবাদ প্রকাশের পর এক অস্থায়ী শ্রেণি কক্ষের ব্যবস্থা করেছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর দৈনিক আজকের পত্রিকায় ‘শ্রেণিকক্ষ নেই দাঁড়িয়ে ক্লাস’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর নজর আসে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দ্বীন মোহাম্মদের নজরে আসলে তিনি শ্রেণি কক্ষের ব্যবস্থা করেন।
সংবাদে উল্লেখ করা হয় ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ উচ্ছ্বাসে বিদ্যালয়ে গেলেও পাঠদানের জন্য নেই শ্রেণি কক্ষ ও বসার সরঞ্জাম। বাধ্য হয়ে তীব্র রোদে দাঁড়িয়ে আকাশের নিচে ক্লাস করতে হয় শিশু শিক্ষার্থীদের। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। এ সংবাদে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা মঙ্গলবার শাহ আরফিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা পাশের লোকনাথ মন্দিরের ছায়া ঘরে ক্লাস করার ব্যবস্থা করে দেন।
বর্তমানে ওই ঘরেই চলছে এখন শিক্ষা কার্যক্রম। তবে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী এই ঘরেই সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস চলবে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দ্বীন মোহাম্মদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত সোমবার আজকের পত্রিকায় একটি সংবাদটি দেখি। এ সংবাদ দেখে গত সোমবার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কক্ষের জন্য মন্দিরের একটি ছায়া ঘরে অস্থায়ীভাবে ক্লাস করার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকি বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত এখানেই ক্লাস করানো হবে।