হোম > ছাপা সংস্করণ

বিচারকস্বল্পতায় কমছে না মামলাজট

এস এম নূর মোহাম্মদ, ঢাকা

২০০৭ সালে বিচার বিভাগ আলাদা করার সময় দেশের সব আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৭০ হাজার। বর্তমানে সেই সংখ্যা ৪০ লাখেরও বেশি। নিষ্পত্তিতে গতি না থাকায় আদালতগুলোয় তৈরি হচ্ছে মামলাজট। এ জন্য বিচারকস্বল্পতাকেই বড় কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে বিচারাধীন ছিল ৪১ লাখ ৭১ হাজার ৫৭২টি মামলা। এর মধ্যে নিম্ন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ৩৬ লাখ ৬১ হাজার ৭৬১ টি। বর্তমানে এই সংখ্যা আরও বেড়েছে। আদালতগুলোয় প্রতিনিয়ত মামলা বেড়ে চললেও বিচারক স্বল্পতা নিরসনে উদ্যোগে অগ্রগতি নেই।

মামলাজট কমাতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের ১১২টি পদ সৃষ্টি করতে ২০১৬ সালে আইন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। চিঠিতে বলা হয়, ‘সারা দেশে অধস্তন আদালতে ৩০ লাখ মামলা (ওই সময় পর্যন্ত) বিচারাধীন। বিদ্যমান বিচারক দিয়ে পাহাড়সম মামলাজটের প্রেক্ষাপটে কাঙ্ক্ষিত সময়ে বিচারপ্রার্থী জনগণের জন্য ন্যায়বিচার করা দুরূহ।’ অন্যদিকে যুগ্ম জেলা জজের ১৫৯টি পদ সৃষ্টি করতে চিঠি দেওয়া হয় ২০১৭ সালে। এর মধ্যে ৭৩টি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের পদ সৃষ্টির বিষয়টি অনুমোদনের পর এখন সচিব কমিটিতে উপস্থাপনের জন্য রয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। আর যুগ্ম জেলা জজের পদ সৃষ্টির বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের পর এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। তবে ঠিক কবে এটি বাস্তবায়ন হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট জানা যায়নি।

গত রোববার মামলাজটের বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘মামলার জট কমাতে পৃথিবীতে যেসব পদ্ধতি আছে, যা যা অনুসরণ করা প্রয়োজন, আমরা তাই করব।’ এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চিঠির বিষয়টি অনেক আগের, তাই আমি কিছু জানি না। পদ সৃষ্টি মন্ত্রণালয়ের বিষয়। তবে জট কমাতে বিচারক নিয়োগ হওয়া দরকার।’

এদিকে দায়িত্ব নিয়েই বিচার বিভাগকে মামলাজট থেকে মুক্ত করতে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ২ জানুয়ারি তাঁর প্রথম কর্মদিবসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রায় ১৮ কোটি মানুষের এই দেশে মাত্র ১ হাজার ৯০০ বিচারকের কাঁধে যে বিপুল পরিমাণ মামলা অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে, তা বিচার বিভাগের জন্য সুখকর নয়। এ সময় সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই একই সুর মেলান।

নতুন বিচারক নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের চিঠির পর পদ সৃষ্টির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রায় দেড় হাজার পদ সৃষ্টির প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আছে। অতিরিক্ত জেলা জজদের বিষয়টি সচিব কমিটিতে আছে। আর যুগ্ম জেলা জজের বিষয়টি জনপ্রশাসনে।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ