যশোরের মনিরামপুর উপজেলা পরিষদের সরকারি কর্মকর্তাদের ঘর বরাদ্দ ও ভাড়া দেওয়ায় অনিয়ম নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
গত বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যে সব কর্মকর্তা অফিসের অন্য জনের নামে কোয়ার্টার বরাদ্দ নিয়ে নিজে থাকছেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আগামী সভায় সিদ্ধান্ত হবে।
গত রোববার আজকের পত্রিকায় ‘সরকারি ঘর বরাদ্দে অনিয়ম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদটি নজরে আসে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার। পরে পরিষদের মাসিক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, ‘কোয়ার্টার সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে সভায় উপস্থাপন করেছি। অনেকে বকেয়া শোধ করেছেন। যারা দেননি তাঁদের তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। যে সব কর্মকর্তা অফিসের অন্য জনের নামে কোয়ার্টার বরাদ্দ নিয়ে নিজে থাকছেন তাঁদের ব্যাপারে সামনের সভায় সিদ্ধান্ত হবে।’
জানা গেছে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবুজার সিদ্দিকী অফিসের ডা. সাময়ানের নামে কক্ষ বরাদ্দ নিয়ে নিজে থাকছেন প্রায় তিন বছর। তিনি ভাড়া দেন মাত্র ৩ হাজার ২০০ টাকা।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার তাঁর দপ্তরের প্রশিক্ষক মাহফুজুর রহমানের নামে ঘর বরাদ্দ নিয়ে নিজে চামেলী কোয়ার্টারে থাকছেন দুই বছর। তিনি ভাড়া দিচ্ছেন দুই হাজার ২০০ টাকা। দীর্ঘদিন তিনি ভাড়া পরিশোধ করেন না বলে তথ্য মিলেছে।