গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের সুতিয়া নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর মাঝখানে কাঠের তক্তা বিছিয়ে তৈরি করা হয়েছে অবৈধ পাটাতন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না বলে জানায়। তবে স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবী ব্যক্তিগত খরচে তা করে দিয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা।
পাটাতন তৈরির ফলে ঝুঁকি নিয়ে রেলসেতু দিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। পাটাতন তৈরির ফলে ঝুঁকি নিয়ে দুই পাড়ের মানুষের পারাপার বেড়েছে আগের চেয়ে কয়েকগুণ। অথচ দুই পাড়ের মানুষের নদী পারাপারের কথা চিন্তা করে সুতিয়া নদীর ওপর সেতু নির্মাণ হয়েছে বহু বছর আগে। তারপরও মানুষ ঝুঁকি নিয়ে রেলসেতু পার হচ্ছেন দল বেঁধে। যে কোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। গত ১ ডিসেম্বর ঝুঁকিপূর্ণ এই রেলসেতু পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
দেখা যায়, ঢাকা-জামালপুর রেল সড়কের শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নে সুতিয়া নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর ওপর দিয়ে দল বেঁধে নানা বয়সী মানুষ পার হচ্ছেন। যে কোনো সময় চলে আসতে পারে ট্রেন। পিষে দিতে পারে যে কাউকে।
স্কুল শিক্ষার্থী আসমা খাতুন বলে, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যে পার হওয়া যায়। এ জন্য রেলসেতু ব্যবহার করছি। আগে করতাম না। বর্তমানে রেলসেতুর ওপর কাঠের পাটাতন দেওয়া হয়েছে। এখন চলাচলে ঝুঁকি কম।’
কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. আল আমিন বলেন, ‘এ বিষয়টি আমার জানা নেই। এগুলো পিডব্লিউ দেখাশোনা করে থাকে। তবে এ বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’
বাংলাদেশ রেলওয়ের শ্রীপুর থেকে ফাতেমা নগরের দায়িত্বে থাকা পিডব্লিউ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘রেলসেতুর মাঝখানে এ ধরনের কাঠের তক্তার পাটাতন অবৈধ।’