জর্জিয়া নোলানের ইচ্ছে বড় হয়ে সে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী হবে। বাবার মতো দেশের মানুষের বিপদে-আপদে ঝাঁপিয়ে পড়বে। খুব ছোট থাকতেই ফায়ার সার্ভিসে বাবার কাজ দেখে অনুপ্রাণিত হয় জর্জিয়া।
১৯৩০ সাল। জর্জিয়া যে শহরে বাস করে, সেটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক। সে সময় নারীদের ফায়ার সার্ভিসে কাজ করা নিষিদ্ধ ছিল। একমাত্র পুরুষেরাই ফায়ার সার্ভিসে কাজ করতে পারত। এমন অদ্ভুত নিয়মের কারণে জর্জিয়ার মন ভেঙে যায়। সে বুঝে উঠতে পারে না তার কী করা উচিত।
এমনই একসময় শহরের একটি থিয়েটারে কয়েকবার আগুন লাগার পর আগুন নিয়ন্ত্রন করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের অনেক কর্মী নিখোঁজ হতে শুরু করে। সবার মনে আতঙ্ক জাগে। এ সময় জর্জিয়া সিদ্ধান্ত নেয় সে ছেলেদের ছদ্মবেশ ধরে ফায়ার সার্ভিসে যোগ দেবে। যেই ভাবা সেই কাজ। সে যে টিমে যোগ দেয় তাদের কাজ হচ্ছে, থিয়েটারে বারবার আগুন দেওয়া লোকটাকে থামানো। আর তার বাবা এই টিমের প্রধান। যেভাবেই হোক জর্জিয়াকে পরিচয় গোপন করে চালিয়ে যেতে হবে এই অভিযান। পরিচয় ফাঁস হলেই ফায়ার সার্ভিসের কাজ করার স্বপ্ন নিমেষেই চুরমার হয়ে যাবে।
জর্জিয়া কি শেষ পর্যন্ত নিজের পরিচয় লুকিয়ে রাখতে পেরেছিল? কী হয়েছিল তার?
এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে চাইলে এখনই দেখে নাও থিওডোর টাই ও লরেন্ট জেইটনের সিনেমা ‘ফায়ারহার্ট’। সিনেমাটি মুক্তি পায় এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে।