চরফ্যাশনের ঢালচরের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ ২০ জেলের এখনো সন্ধান মেলেনি। জেলে নিয়ে ট্রলার ডুবির ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটি করেন ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হয়ে ফিরে আসা জেলে মো. হাফেজ।
দক্ষিণ আইচা থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মির্জাকালু নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ ডিসেম্বর হাফেজর বড় ভাই কামাল খন্দকারের মালিকানাধীন ‘মা শামসুন্নাহার’ নামের মাছ ধরার ট্রলারটি নিয়ে ২১ জন জেলে সাগরে মাছ ধরতে যান। ৫ ডিসেম্বর রাতে সাগরের অবস্থা খারাপ দেখে ট্রলারটি তীরে ফিরতে রওনা হয়। পথে ঢালচর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে সাগরে চট্টগ্রামের এফ ভি এস আর এল ৫ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলিং জাহাজ বেপরোয়া গতিতে ট্রলারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রলারটি ডুবে যায়। সাগরে ভাসমান অবস্থায় পরের দিন বরগুনার পাথরঘাটার একটি মাছ ধরার ট্রলার মো. হাফেজকে উদ্ধার করে। বাকি জেলদের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা জানা যায়নি। এখনো যে সব জেলে নিখোঁজ রয়েছেন তাঁরা হলেন, বাচ্ছু মাঝি, আলামিন মাঝি, ফারুক হাওলাদার, জাবেদ, খালেক, ইউছুফ মৌলভী, জসিম জমাদার, রফিক, মাসুদ, বাচ্চু, হারুন মেস্তরী, নুরুল ইসলাম, নুরে আলম, আবুল বাসার, সুমন, সাহিন, দিন ইসলাম, নাগর মাঝি, মো. আলী, মিজান।
চর মানিকা কোস্টগার্ডের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার হারুন অর রশিদ জানান, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে, এখনো নিখোঁজ কোনো জেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি।