হোম > ছাপা সংস্করণ

জনবল ও সরঞ্জাম-সংকটে ব্যাহত স্বাস্থ্যসেবা

নওগাঁ প্রতিনিধি

জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম-সংকট রয়েছে নওগাঁর পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এতে ব্যাহত হচ্ছে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে দীর্ঘ সাত বছর সিজারিয়ান কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে পুনরায় সেটি গত ১১ ফেব্রুয়ারি চালু করা হলেও কয়েক মাস চলার পর আবার বন্ধ হয়ে যায়। এতে রোগীরা চরমে দুর্ভোগে রয়েছেন। এ ছাড়া হাসপাতালটিতে চোখের চিকিৎসার কোনো ইউনিট নেই, দন্ত্যচিকিৎসক থাকলেও যন্ত্রপাতির অভাবে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখানে প্রতিদিন পার্শ্ববর্তী ধামইরহাট, সাপাহার, বদলগাছী, মহাদেবপুর, উপজেলার অনেক অসহায় রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। এ ছাড়া পত্নীতলা উপজেলার আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার একমাত্র ভরসা এই হাসপাতালটি। অথচ সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধসহ নানা সংকটে রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৩১ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ২০০৬ সালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীনে ডাক্তার, নার্স, কর্মচারী ও সিএইচসিপির ১৮১ পদের মধ্যে জনবল আছে ১৩৮ জন। শূন্যপদ রয়েছে ৪৩টি। ৩৩ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও রয়েছে ১৬ জন। শূন্যপদ রয়েছে ১৭ জন। মাঠপর্যায়ে ১২ জনের থাকার কথা থাকলেও আছে ১০ জন। স্বাস্থ্য সহকারী পদে ৪০ জনের পদ থাকলেও রয়েছে ২৭ জন।

এ ছাড়া ডিজিটাল এক্স-রে (সিআর) মেশিন না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না। দুটি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে একটি চালকের অভাবে পড়ে রয়েছে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ না থাকায় সরকারি বাজেট অনুযায়ী চাহিদার ৫ ভাগের ১ ভাগ রোগীর চাহিদাও মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।

রোগীদের অভিযোগ, উপযুক্ত সেবা না পেয়ে সামান্য সমস্যাতেই রোগীদের নওগাঁ সদর আধুনিক হাসপাতাল অথবা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ রোগীরা জেলা শহরসহ বিভিন্ন ক্লিনিক ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাকেন্দ্র-নির্ভর হয়ে পড়েছেন। তাই ভোগান্তি নিরসনে শূন্যপদে চিকিৎসক পদায়নসহ যাবতীয় সমস্যা সমাধানে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলেও জানান তাঁরা।

চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার মধলই এলাকার বাসিন্দা সবুজ হোসেন বলেন, ‘আমার এক বোন সন্তানসম্ভাবা। হাসপাতালে নিয়ে এসে শুনি এখানে সিজারিয়ান কার্যক্রম বন্ধ আছে। তাই বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, অবেদনবিদ ও সার্জনের অভাবে কিছু কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তবে শিগগির সেগুলো আবার চালু করা হবে। এখানে আই ইউনিট নেই, জনবলসহ যন্ত্রাংশ-সংকটের কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে অল্প সময়ের মধ্যে এই সংকট সমাধান হবে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ