হোম > ছাপা সংস্করণ

মহাসড়কে ট্রাকস্ট্যান্ড ভোগান্তি যাত্রী-পথচারীর

গাজীপুরের শ্রীপুরে মাওনা চৌরাস্তার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে ট্রাকস্ট্যান্ড। এ ট্রাকস্ট্যান্ডের পাশেই মাওনা বাসস্ট্যান্ড। গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল জায়গায় ট্রাকস্ট্যান্ড গড়ে তোলায় সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। এ ছাড়া ঘটছে দুর্ঘটনাও।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই ট্রাকের চালকদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয় না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন। তাঁদের দাবি, দ্রুত এখান থেকে ট্রাকস্ট্যান্ড সরানো হোক।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাওনা চৌরাস্তা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ঠিক বিপরীত পাশে ও উড়াল সেতুর উত্তর পাশ থেকে মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে তোলা হয়েছে ট্রাকস্ট্যান্ড। এখানে মহাসড়কের ওপর শতাধিক ট্রাক, লরি ও পিকআপ ভ্যান দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। এতে সড়কের একটি লেন রীতিমতো দখল করে ফেলা হয়েছে।

পরিবহনগুলো এমনভাবে মহাসড়কের ওপর রাখা হয়েছে, এর মাঝখান দিয়ে বড় ধরনের কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এর ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এ ছাড়া মহাসড়কের একটি লেন দখল করে প্রতিটি কারখানার সামনে বড় বড় কনটেইনার রাখা হয়েছে।

পোশাকশ্রমিক সারফুল ইসলাম বলেন, ‘রাস্তায় লেন দখল করে ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকার কারণে চলাচলের সমস্যা হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনায় শিকার হতে হয়।’

মাওনা চৌরাস্তা এলাকার ব্যবসায়ী নূরুল আমিন বলেন, ‘এভাবে ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে চলাচলে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয় পথচারীদের। গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের পাশে গাড়ি পার্কিং করার কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিনিয়ত মানুষ মারা যাচ্ছে।’

ট্রাকচালক মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘নির্দিষ্ট ট্রাকস্ট্যান্ড না থাকায় বাধ্য হয়ে মহাসড়কে পার্কিং করে থাকি। অনেক সময় মালামাল লোড-আনলোড করতে সময় লেগে যায়, সে জন্য রাস্তায় পার্কিং করে থাকি।’

ট্রাকচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাকস্ট্যান্ড থাকলেও এখানে নেই। যার জন্য ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়কের পাশে দাঁড় করাতে হয়।’

ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ট্রাক রাখার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে মহাসড়কে পার্কিং করতে হয়। এর আগে ট্রাকস্ট্যান্ডের জন্য হাইওয়ে পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করা হয়েছে।’

আনোয়ার হোসেন বলেন, মহাসড়কের পাশে খালি জায়গা ইতিমধ্যে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান দখল করে রেখেছে। বর্তমানে যেখানে জায়গা পাওয়া যায়, সেখানেই ট্রাক দাঁড় করানো হয়। ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির নিয়ন্ত্রণে প্রায় ২০০টির মতো পরিবহন আছে বলে তিনি জানান।

মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘যানজট নিরসনে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। ইদানীং লক্ষ করেছি মহাসড়কের দুপাশে কিছু অস্থায়ী পণ্যবাহী পরিবহন দাঁড়িয়ে থাকে। এদের বহুবার নিষেধ করার পরেও তারা কথা শুনছে না।’

ওসি বলেন, ‘আমি আবারও পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলব মহাসড়কে পার্কিং না করার জন্য। ট্রাক-কনটেইনার ও পিকআপ ভ্যান চালকেরা যাতে রাস্তা দখল করে যানবাহন না রাখেন, সে ব্যাপারে অতি দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেব।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ