হোম > ছাপা সংস্করণ

‘প্রহেলিকা’ একটি কমপ্লিট প্যাকেজ

‘প্রহেলিকা’ সিনেমা দিয়ে দীর্ঘদিন পর ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন। ঠিক কী কী কারণে এ সিনেমায় ফিরলেন? 
আমাকে বাধ্য করা হয়েছে অভিনয়ে ফিরতে। প্রশ্ন উঠতে পারে কে বাধ্য করল? বাইরের কেউ নন, ব্যক্তি মাহফুজ অভিনেতা মাহফুজকে বাধ্য করেছে এই সিনেমায় অভিনয় করতে। ‘প্রহেলিকা’র গল্প ও প্রতিটি চরিত্রই আমাকে মুগ্ধ করেছে। এই সিনেমার গল্পটি আমার কাছে আসে দুই বছর আগে। এরপর চিত্রনাট্যকার পান্থ শাহরিয়ারের সঙ্গে এ নিয়ে একাধিকবার আলাপ-আলোচনার পর গল্পটা এমন এক জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায়, যেখান থেকে কোনো অভিনেতার ফিরে আসা সম্ভব নয় বলে আমার মনে হয়। 

বিরতির পর নতুন করে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
ছোটবেলায় বার্ষিক পরীক্ষার আগের রাতে যেমন অনুভূতি হতো, ঠিক তেমন মনে হয়েছে। আমি আদৌ তৈরি কি না, শেষ পর্যন্ত পারব কি না? এ প্রশ্নটি নিজের মধ্যে ছিল। তবে সাঁতার একবার শিখলে তা তো আর ভোলে না মানুষ। আমি তো একজন অভিনয়শিল্পী। অভিজ্ঞতার কারণেই ভেতরের তোলপাড়টা লুকিয়ে রাখতে পেরেছিলাম। প্রথম দিন একটা শট দিই আর দেখি। কয়েকটা সিকুয়েন্স পরেই আমার আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে। এরপর থেকে আমি শুধুই মনা।

আপনার চরিত্রটি নিয়ে বলবেন?
আমি মনা চরিত্রে অভিনয় করেছি। সিনেমা মুক্তির আগে চরিত্রটি নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে এটুকু বলব, আমি ‘মনা’ রোগে আক্রান্ত হয়েছিলাম। চরিত্রটি থেকে বের হওয়ার জন্য শুটিং শেষ করার পরদিনই দেশের বাইরে চলে যাই। আশা করছি সিনেমাটি মুক্তির পর আপনারাও বুঝতে পারবেন কেন আমাকে এমনটা করতে হয়েছিল।

সহশিল্পী বুবলীর সঙ্গে কাজ করতে কেমন লেগেছে? কোনো জড়তা কাজ করেছে?
শুধু বুবলী নয়, এত দিন পর যে কারও সঙ্গেই অভিনয়ে ফিরলে একটু জড়তা কাজ করত। সেটা বুবলীর জায়গায়, টুবলী থাকলেও হতো! তবে সেটা স্বল্প সময়ের জন্য।

বুবলীর সঙ্গে কাজের বোঝাপড়াটা কেমন ছিল?
অসাধারণ। শুধু একটা সিকুয়েন্সের কথা বলি। আমাদের দুজনের একটা লম্বা সিকুয়েন্স ছিল। প্রায় ৬ মিনিটের, ওয়ানটেক শট। ফলে আমি খুবই কনফিউজড ছিলাম বুবলীকে নিয়ে। কারণ আমার অ্যাকটিংয়ের পর তার রি-অ্যাকশনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই সিকুয়েন্স শেষ করার পর আমি জাস্ট বিস্মিত। দারুণ অভিনয় করে বুবলী। তার সঙ্গে কাজ করে আমি অনেক কিছু শিখেছি। নির্দ্বিধায় বলতে পারি বুবলী আমার অন্যতম পছন্দের কো-অ্যাক্টর।

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গানে আপনাকে সব সময় কানটুপি পরা দেখা গেছে। কারণ কী? 
শুধু গান নয়, সিনেমার পুরোটা সময় কানটুপি মাথায় ছিল। এটাই এই সিনেমার রহস্য। আমার ধারণা, সিনেমা শেষ হওয়ার দুই-চার মিনিট আগেও টুপির রহস্য কেউ বুঝতে পারবে না। এই টুইস্টটা এখন খুলতে চাচ্ছি না। পর্দাতেই দেখুক সবাই।

দর্শক কেন ‘প্রহেলিকা’ দেখবে বলে মনে করছেন? 
দর্শক গল্প দেখতে চায়। সেই চরিত্রগুলো দেখতে চায়, যেগুলো সে দেখেনি, ভাবেনি কিংবা দেখার পর মনে হয় এটা তো হতে পারে। ঠিক সেরকম একটি গল্পে নির্মাণ হয়েছে সিনেমাটি। সিনেমার একটি কমপ্লিট প্যাকেজ ‘প্রহেলিকা’। যারা একটি সম্পূর্ণ সিনেমা দেখতে চায়, তারা ‘প্রহেলিকা’ দেখবে এটা আমার বিশ্বাস।

এখন থেকে অভিনয়ে নিয়মিত পাওয়া যাবে আপনাকে?
আবার যদি ব্যক্তি মাহফুজ শিল্পী মাহফুজকে তাড়া করতে থাকে, তাহলে অবশ্যই ক্যামেরার সামনে দাঁড়াব। তবে সে রকম গল্প পেতে হবে।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ