মির্জা মুকুল নিজেকে ল্যান্ড ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে পরিচয় দিতেন। তার সঙ্গে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জানাশোনা আছে। আছে সরকারি খরচে অস্ট্রেলিয়ায় লোক পাঠানোর নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। যারা অস্ট্রেলিয়ায় যাবেন তাদের প্রশিক্ষণ, প্লেন ভাড়াসহ আনুষঙ্গিক খরচ হবে আট লাখ টাকা।
এমন মুখরোচক গল্পে তিনি ৩৬ জনকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর জন্য প্রলুব্ধ করেন। তাদের কাছ থেকে নেন ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তবে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর কোনো অগ্রগতি জানাতে পারেননি। পরে প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারেন ভুক্তভোগীরা। আর আবদুল কাদের নামে এক ভুক্তভোগী মামলা করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মির্জা মুকুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গত মঙ্গলবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ৪৩৫ নম্বর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল বুধবার মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত ডিআইজি (ঢাকা মেট্রো) ইমাম হোসেন।
ইমাম হোসেন জানান, মির্জা মুকুল দীর্ঘদিন ধরে স্বপ্নবাজ বেকারদের অস্ট্রেলিয়ার পোর্টে চাকরি দেওয়ার নাম করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। আবদুল কাদের নামের এক ভুক্তভোগীর মামলার বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে মুকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তসাপেক্ষে জানা যায়, মুকুল ও পলাতক অন্য আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য।