কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মায়ের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার দেহুন্দা ইউনিয়নের চর দেহুন্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে করিমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেছেন। ছাত্রীর মা স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশের ধারণা, মাইশা নামের ওই ছাত্রীর মায়ের সঙ্গে এক ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা ছিল। তাঁদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য দেখে ফেলার জেরে ওই ছাত্রীকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কিশোরগঞ্জ জেলা ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
ওই ছাত্রীর বাবা বাবুল মিয়া ঢাকার একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিকে নৈশপ্রহরীর চাকরি করেন। তিনি বলেন, ‘আমার আর কেউ রইল না। আদরের মেয়ে গেছে, বুড়া বয়সে বউ জেলে যাচ্ছে। কার জন্য কান্না করব আর কার বিচার চাইব জানি না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম সিদ্দিকী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মায়ের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণেই ছাত্রী খুন হয়। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ছাত্রীর মায়ের সঙ্গে যে ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে, তাঁর মোটরসাইকেল ওই বাড়িতেই পাওয়া গেছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন স্বপ্না আক্তার।