যশোর সদর হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর হাতে এক ইন্টার্ন চিকিৎসক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে হাসপাতালের এক্স–রে রুমে এ ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
ভুক্তভোগী ইন্টার্ন চিকিৎসক সোহানুর রহমান সোহান বলেন, ‘দুপুরে আমি এক্স–রে করার জন্য এক্স-রে রুমে যাই। এ সময় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মেহেদীকে এক্স–রে করে দিতে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। আমি প্রতিবাদ করলে তিনি আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।’
অভিযুক্ত মেহেদী হাসান বলেন, ‘ইন্টার্ন চিকিৎসক সোহান রুমে এসেই আমাকে এক্স–রে করে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তখন আমার হাতে অনেক কাজ ছিল। আমি অপেক্ষা করতে বললে তিনি আমাকে গালাগালি করেন।’
এ সময় হাসপাতালে থমথমে অবস্থা বিরাজ করে। ছাত্রলীগ ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতা–কর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
যশোর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। আমরা এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি করেছি। আগামী রোববার তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’