সরকার ২০১৫ সালে ডোমেস্টিক ওয়ার্কার্স প্রোটেকশন অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার পলিসি প্রণয়ন ও কার্যকর করেছে। পলিসিটি বেশ সময় উপযোগী। তবে এই সংক্রান্ত কোনো আইন না থাকায় গৃহশ্রমিকেরা এর সুফল ভোগ করতে পারছেন না। তাই দ্রুত গৃহকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গতকাল শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনের পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাব কনফারেন্স কক্ষে শিশু গৃহকর্মীর অধিকার সংসদীয় ককাস অনুষ্ঠিত এক সংলাপে আলোচকেরা এসব কথা বলেন।
শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাসের সভাপতি সাংসদ মো. শামসুল হক টুকু বলেন, আশা করি গৃহকর্মী সুরক্ষায় সবার অংশগ্রহণ ও মতামতের ভিত্তিতে এই সংক্রান্ত কার্যকরী একটা আইন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। আইনটা যেন আরও যুগোপযোগী করা যায়, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। গৃহকর্মীদের সঙ্গে অবশ্যই সবাই মানবিক আচরণ করতে হবে।
টুকু আরও বলেন, ‘মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ গৃহকর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে, নির্যাতন করে। এদের কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনে অনুচ্ছেদ প্রস্তাব করা হয়েছে। আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমেও নির্যাতন প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
এতে বক্তব্য রাখেন সাংসদ রেজাউল করিম বাবলু, রওশন আরা মান্নান, সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, আদিবা আনজুম মিতা, সৈয়দা রুবিনা আক্তার, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের পরিচালক আবদুছ সহিদ মাহমুদ, শাপলা নীড়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর তমোকো উচিয়ামা, এডুকো বাংলাদেশের ডিরেক্টর অব প্রোগ্রাম ফারজানা খান প্রমুখ।