হোম > ছাপা সংস্করণ

নির্বাচনী সহিংসতা থানায় ৮ মামলা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনায় আটটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় পরাজিত চেয়ারম্যান, সদস্য প্রার্থী ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকসহ পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

এ তথ্য নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ জানান, সদর থানায় আটটি মামলা হলেও ইউপি সদস্য আবদুর রউফ হত্যা মামলাটি পারিবারিক ঘটনা। অপর একটি মামলা হয়েছে গিদারী ইউপির জয়ী চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার ভাঙচুরের ঘটনায়। এ ছাড়া দক্ষিণ ধানঘড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিশামত মালিবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রসহ ছয়টি কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য আহতসহ একাধিক অভিযোগে পৃথক ছয়টি মামলা করেন সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, গত ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে গত ১২ নভেম্বর রাতে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য আবদুর রউফ সরকারকে পিটিয়ে হত্যা করে দুষ্কৃতকারীরা।

এ ছাড়া ফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ ধানঘড়া ভোটকেন্দ্রে হামলা-সংঘর্ষের সময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটের আঘাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ নভেম্বর মারা যান বল্লমঝাড় ইউনিয়নের দক্ষিণ ধানঘড়া গ্রামের হামিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ