হোম > ছাপা সংস্করণ

সময়ের পুরস্কার অসময়ে

নাজিম আল শমষের, ঢাকা

সর্বশেষ ২০১৬ সালে ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জাতীয় স্বীকৃতি পেয়েছিলেন ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকেরা। সেই অনুষ্ঠানে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেয়েছিলেন ২০১২ সালের নির্বাচিত ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক। দীর্ঘসূত্রতায় আরেকটি জাতীয় জাতীয় পুরস্কার অনুষ্ঠান আয়োজন করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সময় লেগে গেল ছয় বছর।

২০১৩ থেকে ২০২০—একসঙ্গে ৮ বছরের ৮৮ ক্রীড়াবিদ ও সংগঠকের হাতে ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে আগামীকাল। মরণোত্তর স্বীকৃতি পাচ্ছেন অন্তত চারজন। বছরের পুরস্কার বছরে পেলে হয়তো জীবদ্দশায় জাতীয় স্বীকৃতি দেখার সৌভাগ্য হতো এই ক্রীড়াবিদদের।

ক্রীড়াঙ্গনে অবদানের জন্য ২০১৫ সালের মরণোত্তর পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে খাজা রহমতউল্লাহর পরিবারের কাছে। কৃতী হকি খেলোয়াড় ও হকি ফেডারেশনের সাবেক সহসভাপতি রহমতউল্লাহ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ২০১৭ সালের অক্টোবরে। ২০১৫ সালের পুরস্কার পরের বছর পেলে হয়তো নিজের অবদানের স্বীকৃতি দেখে যেতে পারতেন রহমতউল্লাহ।

রহমতউল্লাহর উদাহরণ টেনেছেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ইমতিয়াজ সুলতান জনি। ফুটবলে অবদানের জন্য ২০১৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এ তারকা ফুটবলার। পুরস্কার নিয়ে আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘দেরিতে পুরস্কার দেওয়া হলে এর আগ্রহ ও সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। লম্বা একটা সময়। এ সময় যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। ২০১৬ সালে আগের বছরের পুরস্কার তুলে দেওয়া হলে হয়তো রহমতউল্লাহ স্বীকৃতিটা পেতে পারতেন।’

পুরস্কার দিতে কেন দেরি, এটি জানতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

জাতীয় স্বীকৃতি পাওয়া জনির চাওয়া, খুব দ্রুতই যেন বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার দেওয়া শুরু করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। একই চাওয়া স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ম্যানেজার ও প্রবীন সংগঠক তানভীর মাজহার তান্নার। সংগঠক হিসেবে ২০১৯ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীত এই সংগঠকের মন্তব্য, ‘ফুটবল ফেডারেশনও দেয় না, ক্রিকেট বোর্ডও উদ্যোগ নেয় না। দুই সংগঠন চাইলেই প্রতিবছর সেরা খেলোয়াড়কে পুরস্কার দিতে পারে। আমি তাদের পরামর্শ দিয়েছিলাম।’

তানভীর মাজহারের কথাতেই উঠে এসেছে প্রতিবছর সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অনীহার কথা। প্রতিবছরই বেশ জমকালোভাবে অ্যাওয়ার্ড নাইট বা গালা নাইট উদ্‌যাপন করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবিতেও একটা সময় অ্যাওয়ার্ড নাইটের প্রথা ছিল, যেটা থমকে আছে দেড় দশকের বেশি সময়। একাধিকবার বোর্ডের সভায় উঠেছে অ্যাওয়ার্ড নাইট আবারও শুরু করার প্রস্তাবনা। সেই অ্যাওয়ার্ড সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে হবে নাকি ২০০৫ সাল থেকে শুরু করে ১৫ বছরের একসঙ্গে দেওয়া হবে, সেটি নিয়ে দ্বিধায় বিসিবি।

গালা নাইট আবারও শুরুর আশা বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুসের। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেট সংগঠক নিজেও ২০১৬ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। গতকাল তিনি বলেন, ‘করোনার আগে গালা নাইট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এরপর আর এগোনো হয়নি। আমরা আশাবাদী, আবারও শুরু করতে পারব।’

করোনার বিষয়টি সামনে এনেছেন বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগও। মহামারির আগে অনিয়মিতভাবে বর্ষসেরা ফুটবলারদের পুরস্কার দেওয়া হলেও গত দুই বছরে কোনো উদ্যোগ নেই বাফুফের। সোহাগ বলেন, ‘আমরা একটা সময় বর্ষসেরা ফুটবলার, কোচ, উঠতি ফুটবলারদের পুরস্কার দিয়েছি। হয়তো সেখানে একটা বিরতি পড়েছে। আমাদের ভাবনায় আছে আবারও নতুন করে শুরু করার।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ