চাঁদপুরে নৌ-সীমানা থেকে ১২০ কেজি ইলিশসহ ৪০ জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ-পুলিশ। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় গত রোববার মধ্যরাত থেকে গতকাল সোমবার সকাল পর্যন্ত চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীর অভয়াশ্রমে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় এ সময় ৩২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ২৫টি জেলে নৌকা জব্দ করা হয়।
এঁরা হলেন বরগুনা জেলার মো. নবিন, নোয়াখালী জেলার মো. কামাল, মো. সিরাজ, ভোলা জেলার মো. কালু, মো. হামিদ মোল্লা, সদর উপজেলার রাজরাজেস্বর ইউনিয়নের আক্তার ঢালী, মো. নাজমুল হোসাইন, শাহজালাল, মো. আমান উল্লাহ দেওয়ান, মো. রাকিব ঢালী, আল আমিন, মো. খোরশেদ আলম, আবদুল আজিজ, এনায়েত উল্ল্যাহ, মো. সৈয়দ মোল্লা, মো. আমান উল্লাহ, হাইমচর উপজেলার মো. শাকিল মিয়া, হেলাল খান, শরিয়তপুর জেলার মো. খোরশেদ আলম। জেলেদের মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
নৌ-পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জমানের নেতৃত্বে ৬টি দলে এ অভিযান চালানো হয়। এ ছাড়া নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন, চাঁদপুর নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজাহিদুল ইসলাসসহ বিভিন্ন ফাঁড়ির পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নৌ-পুলিশ সুপার কামরুজ্জমান বলেন, চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর ও তার আশপাশের পদ্মা ও মেঘনা নদীর বেশ কিছু এলাকায় এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। অভিযানকারী দল দেখে জেলেরা জাল ও নৌকা নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। জব্দকৃত নৌকা নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। আর কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়।
প্রসঙ্গত, ইলিশ অভয়াশ্রম কর্মসূচির আওতায় মা ইলিশ রক্ষায় চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার এলাকায় ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশসহ সকল ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার।