হোম > ছাপা সংস্করণ

মৌসুমে অনাবৃষ্টি, সুপারি ফলনে ধস

বরগুনা প্রতিনিধি

উপকূলীয় জেলা বরগুনায় এ বছর সুপারির ফলন কম হয়েছে। গত বছরের কার্তিক থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত অনাবৃষ্টি থাকায় সুপারির ফলন কমে গেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী সুপারির দাম কম থাকায় শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কৃষক, গৃহস্থ ও ব্যবসায়ীরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বৈশাখ–জ্যৈষ্ঠ মাসে সুপারি গাছে ফুল আসে। কার্তিক–অগ্রহায়ণ মাসে ফুল পাকাপোক্ত সুপারিতে পরিণত হয়। মূলত কার্তিক আর অগ্রহায়ণ মাসই সুপারির ভরা মৌসুম। এখানকার সুপারির প্রায় ৭০ ভাগ নদী–নালা, খাল–ডোবা, পুকুর ও পানিভর্তি পাকা হাউসে ভিজিয়ে রাখেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আর ৩০ ভাগ সুপারি দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয় বা রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। জেলায় এবার ১ হাজার ১৮১ হেক্টর জমিতে মোট ৫ হাজার ১৯ দশমিক ২৫ মেট্রিকটন সুপারির উৎপাদন হয়েছে।

বাগান মালিকেরা জানান, এ বছর অনাবৃষ্টির কারণে সুপারির ফলন কম হয়েছে। স্থানীয় বাজারগুলোতে এবার আশানুরূপ দামও নেই।

বরগুনা বাজারের সুপারি ব্যবসায়ী কামাল হোসেন, জহিরুল ইসলাম ও আবদুর রশিদ বলেন, এ বছর সুপারির ফলন কম এবং বাজার দরও গত বছরের তুলনায় কম।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুর রশীদ বলেন, ‘এ বছর অনাবৃষ্টি ছিল। বেশির ভাগ বাগানমালিকই নির্দিষ্ট দূরত্বে সুপারি গাছ রোপণ করেননি। তা ছাড়া সঠিক সময়ে পরিচর্যা ও সার প্রয়োগ করতে না পারায় সুপারির ফলন আশানুরূপ হয়নি।’

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ