হোম > ছাপা সংস্করণ

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ভোটারেরা।

নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব থাকা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সুদীপ কুমার রায় বলছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের হুমকি-ধমকির বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে লিখিত আকারে কেউ অভিযোগ দেননি।

আগামী ১১ নভেম্বর উপজেলার পাঁচটি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে ইউনিয়নগুলোর হাটবাজার, গ্রামের মোড় প্রার্থীদের পোস্টারে ছেয়ে গেছে। স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রথম দিকে নির্বাচনের পরিবেশ ভালো থাকলেও দিন যত যাচ্ছে চেয়ারম্যান এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থীরা একে অপরের কর্মী-সমর্থকদের হুমকি দিচ্ছেন।

সোনামুখী ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ ইউপি সদস্য প্রার্থী মাসুদ রানা বলেন, ‘আমাকেসহ আমার সমর্থকদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাগর চৌধুরী ও তাঁর লোকজন হুমকি দিচ্ছেন। আমি বিষয়টি নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।’

একই ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য প্রার্থী সাগর চৌধুরী তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীসহ তাঁদের কোনো লোকজনকে হুমকি দেননি। পরাজয় নিশ্চিত জেনে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে তিলকপুর ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম বলেন, ‘নির্বাচনী মাঠে আমাকে কেউ হুমকি দিয়ে পার পাবে, সেই সাহস তিলকপুরে কেউ পাবে না। তবে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানিয়েছি।’

একই ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সেলিম মাহবুব সজল বলেন, ‘তিলকপুর ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী প্রচার চলছে। নির্বাচনের আচরণবিধি মেনেই প্রচারণা চালাচ্ছি। তবে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা আমার কর্মী-সমর্থকদের হুমকি দিচ্ছেন বলে তাঁরা আমাকে জানিয়েছেন। বিষয়টি নির্বাচন কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। তিলকপুর ইউনিয়নে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ভোটারেরা নৌকায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন বলে আশাবাদী।’

সোনামুখী ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সদস্য পদের প্রার্থী কামরুন নাহার বলেন, ‘আমাকে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহিনা আক্তার তাঁর লোকজন দিয়ে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন।’

তবে একই ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য প্রার্থী শাহিনা আক্তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন অফিসে অভিযোগ দিইনি। কাউকে হুমকিও দিইনি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন।’

আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে পুলিশি টহল জোরদার রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থীকে হুমকি বা হয়রানি করার বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।’

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সুদীপ কুমার রায় বলেন, প্রতিদিনেই অনেক প্রার্থী মোবাইল ফোনে কল দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর দেওয়া হুমকি ধামকির বিষয়ে অভিযোগ করছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। তবে মৌখিক অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেষ সাক্ষীর জেরা চলছে

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়ার আশায় সাগরে জেলেরা

ভারতের নিষেধাজ্ঞা: স্থলবন্দর থেকে ফেরত আসছে রপ্তানি পণ্য

নিলামে গৌতম বুদ্ধের রত্নসম্ভার

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সমালোচনা জাতিসংঘের উদ্বেগ

ভারতের হামলা, পাকিস্তানের প্রস্তুতি

মহাসড়কে ডাকাতি, লক্ষ্য প্রবাসীরা

বিআরটি লেনে বেসরকারি বাস

হইহুল্লোড় থেমে গেল আর্তচিৎকারে

সন্দ্বীপ সুরক্ষা প্রকল্প: এক বছরেও শুরু হয়নি কাজ