রানার প্রপার্টিস আবাসন খাতে মানুষের স্বপ্নপূরণের সারথি হিসেবে কাজ করছে। যাত্রা শুরুর পর মাত্র ১২ বছরে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সফলতার পেছনে মূল সঞ্জীবনী শক্তি হিসেবে কাজ করছে গ্রাহকের সঙ্গে অঙ্গীকার পূরণ আর মান বজায় রাখা। গতকাল শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চলমান আবাসন মেলায় এসব কথা বলেন রানার প্রপার্টিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসনাইন মাহমুদ।
হাসনাইন মাহমুদ বলেন, ‘মানুষের জন্য আবাসন নিয়ে আমরা নতুন কিছু করতে চাই। বিশেষ করে আবাসন ব্যবসায় সাধারণ মানুষের আস্থা যে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, সেখান থেকে মানুষের আস্থা ফেরাতে চাই। এ জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের শতভাগ নিয়ম মেনে আবাসন ব্যবসা পরিচালনা করছি। এজন্য গ্রাহকের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি এবং অঙ্গীকারনামা অনুযায়ী যথাসময়ে জমি ও অ্যাপার্টমেন্টের দলিল হস্তান্তর করা হচ্ছে।’
জমি কিংবা অ্যাপার্টমেন্টের জন্য আমরা গ্রাহকের কাছ থেকে আগাম কোনো অর্থ সংগ্রহ করি না উল্লেখ করে হাসনাইন মাহমুদ বলেন, ‘একবারে পণ্য দিয়ে টাকা নিয়ে থাকি এবং জমি বা অ্যাপার্টমেন্ট পেতে গ্রাহককে একটি দিনও অপেক্ষা করতে হয় না। এতে মানুষের মধ্যে সংশয় বা আস্থাহীনতা দূর হয়।’
হাসনাইন মাহমুদ আরও বলেন, ‘রাজধানী ঢাকাসহ বগুড়া, নওগাঁসহ বিভিন্ন স্থানে আমাদের প্রকল্প চলমান। এসব প্রকল্পের অধীনে প্রতি বর্গফুট ৭ হাজার থেকে ১৩ হাজার এবং রাজধানীর গুলশান এলাকায় ২৬ হাজার টাকা হিসেবে অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি হচ্ছে। করোনার মধ্যেও আমাদের ব্যবসা ও বার্ষিক টার্নওভার ভালো ছিল।’