টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর দেশেও ফেরার সুযোগ হয়নি পাকিস্তান দলের। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টুর্নামেন্ট শেষ করেই সরাসরি বাংলাদেশে চলে এসেছে বাবর আজমের দল। বিশ্বকাপ থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাস আর ছন্দ বাংলাদেশের বিপক্ষেও ধরে রাখতে চায় পাকিস্তান।
নিজেদের মাঠে নিউজিল্যান্ড আর ইংল্যান্ড টানা দুটি সিরিজ স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রস্তুতি ছাড়াই বিশ্বকাপে খেলতে গিয়েছিল পাকিস্তান। তবে টুর্নামেন্টে অসাধারণ ক্রিকেট খেলে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে বাবরের দল। শুরু থেকে দারুণ ঐক্যবদ্ধ দলটি সুপার টুয়েলভ থেকে একমাত্র অপরাজিত দল হিসেবে টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালেও উঠেছিল। শেষ চারের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারলেও বাংলাদেশ থেকে দারুণ ফল নিয়েই ফিরতে চান বাবর।
গতকাল বৃহস্পতিবার সিরিজ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বকাপের ধারাবাহিকতার কথা উঠে এল বাবরের কথায়। বিশ্বকাপ দল থেকে খুব বেশি কাটাছেঁড়ার আপত্তি পাকিস্তান অধিনায়কের। বললেন, ‘বিশ্বকাপ থেকে যে ছন্দ আমরা পেয়েছি, সেটা এখানেও ধরে রাখতে চাই। মূল খেলোয়াড়দের বসিয়ে রাখা যাবে না। এরপর টেস্ট সিরিজও আছে।’
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ঠিক উল্টো চিত্র বাংলাদেশ দলে। নিজেদের হারিয়ে খুঁজছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে দুই ম্যাচ জিতে সুপার টুয়েলভে উঠলেও সেখান থেকে ফিরতে হয়েছে শূন্য হাতে। বিশ্বকাপের ব্যর্থতা ভুলতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দলেও এসেছে পরিবর্তন। এবার নতুনদের দিয়ে নতুন যুগের সূচনা করতে চাচ্ছে বাংলাদেশ। তবু বাংলাদেশকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না বাবর। পাকিস্তান অধিনায়ক বললেন, ‘এটা ওদের হোম সিরিজ। হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। কজন ক্রিকেটার নেই। যারা আছে, তারাও কম নয়। বিপিএল খেলে ওরা সবাই। বাংলাদেশকে সহজভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।’
দুই দলের অতীত ইতিহাসও পাকিস্তানের পক্ষেই কথা বলছে। যদিও সর্বশেষ ২০১৫ সালে মিরপুরে একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের কাছে হেরেছিল শহীদ আফ্রিদির দল। সেবার হারলেও মোট ১৩ বারের দেখায় ১০ বারই জয়ের শেষ হাসি হেসেছে পাকিস্তান। সব মিলিয়ে বাবর হয়তো সেই ছন্দটাই ধরে রাখতে চাইবেন।