আগের দুই পর্বের মতো অ্যাভাটারের তৃতীয় পর্বটি শুরুতেই অতটা দাপট দেখাতে পারেনি। তাই ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসে সাড়া ফেলতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। নির্মাতা জেমস ক্যামেরন নিজেও ছিলেন সন্দিহান।
গত সপ্তাহে তাই জানিয়েছিলেন, অ্যাভাটার ৩-এর বক্স অফিস রেজাল্ট দেখেই পরবর্তী দুই কিস্তি নির্মাণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। আর যদি প্রত্যাশিত ফল না আসে, তবে এখানেই শেষ করে দেবেন অ্যাভাটারের জার্নি। সেটা আর করতে হলো না। বক্স অফিসের সাফল্যকে সঙ্গী করে অ্যাভাটার ফ্র্যাঞ্চাইজি গড়ে নিল নিজের ভবিষ্যৎ।
হলিউড রিপোর্টার জানিয়েছে, নতুন বছরের শুরু থেকেই প্রেক্ষাগৃহে ব্যবসা বেড়েছে অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশের। ৩ জানুয়ারি বক্স অফিসে এক বিলিয়নের মাইলফলক অতিক্রম করেছে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলারে নির্মিত সিনেমাটি।
এর মাধ্যমে হলিউডে ২০২৫ সালের তিনটি সিনেমা পেরোতে পারল বিলিয়নের ঘর। আগে ছিল দুটি, ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ (১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন) ও ‘জুটোপিয়া ২’ (১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন)। এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হলো অ্যাভাটার ৩। অন্যদিকে, ‘টাইটানিক’, ‘অ্যাভাটার’ ও ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-এর পর এটি পরিচালক জেমস ক্যামেরনের চতুর্থ সিনেমা, যা বিলিয়নের মাইলফলক পেরোতে পেরেছে। তবে আগের দুই পর্বের তুলনায় ব্যবসার অঙ্কে এখনো অনেকটাই পিছিয়ে অ্যাভাটার ৩। আশা করা হচ্ছে, সে অপ্রাপ্তিও ঘুচবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
অ্যাভাটারের তৃতীয় পর্বে নতুন অনেক কিছু যুক্ত করেছেন জেমস ক্যামেরন। এসেছে নতুন গোষ্ঠী, নতুন চরিত্র। ভিলেন হিসেবে দেখা যাবে ভারাং নামের একটি চরিত্রকে। এ সিনেমার সবচেয়ে আকর্ষণীয় সংযোজন বলা হচ্ছে এ চরিত্রকে। ভারাং হলো অ্যাশ পিপল গোত্রের নেত্রী, আগ্নেয়গিরিতে যাদের বসবাস। নিজের জাতির জন্য সে যেকোনো কিছু করতে পারে।
নির্মাতা জানিয়েছেন, প্যান্ডোরার ভিন্ন এক দিক উঠে এসেছে অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশে। নাভি জাতি মানেই ভালো, আর মানুষ জাতি মানেই খারাপ—এই সরল অঙ্কের বাইরে তিনি যেতে চেয়েছেন এই পর্বে।