হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

রাকসু নির্বাচন: বিধি ভেঙে প্রচারের প্রতিযোগিতা

দীন ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

আচরণবিধি ভঙ্গ করে লিফলেট বিতরণ করেন ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রার্থীরা। গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছবি: আজকের পত্রিকা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি ও হল সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন প্রার্থীরা। শুধু ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রার্থীরা নন, স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও ভোট টানতে নিয়ম ভাঙাকে অলিখিত কৌশল বানিয়ে ফেলেছেন।

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, চূড়ান্ত প্রার্থীতালিকা প্রকাশের পর থেকে ভোট গ্রহণ শুরুর ২৪ ঘণ্টা আগপর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে চালানো যাবে প্রচার। তবে বাস্তবে তার ব্যতিক্রম ঘটছে। চূড়ান্ত প্রার্থীতালিকা প্রকাশের আগেই প্রার্থীরা ছুটছেন শিক্ষার্থীদের কাছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল, টুকিটাকি চত্বর, আমতলা ও একাডেমিক ভবনে প্রতিদিন প্রচার চালাচ্ছেন তাঁরা। নিয়ম অনুযায়ী এক হল থেকে অন্য হলে যেতেও রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হয়। তবে তা মানছেন না প্রার্থীরা।

ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস), সহকারী সাধারণ সম্পাদকসহ (এজিএস) প্রায় সব প্রার্থী ভোট চাইতে ছুটছেন হল ও মেসে। ক্লাসরুমের বারান্দা, একাডেমিক ভবনের সিঁড়ি এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বর ও আমতলায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ করছেন। তবে এটিকে নির্বাচনী প্রচার বলতে রাজি নন তাঁরা।

জিএস পদপ্রার্থী ও শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক নাফিউল জীবন বলেন, ‘এটাকে আপনারা প্রচারণা বলতে পারবেন না। আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সালাম ও কুশল বিনিময় করছি।’

ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ প্রচারে এনেছে অভিনব কৌশল। জোটের প্রার্থীরা দিনে প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রচার চালালেও রাতে আবাসিক হলে ‘আতর বিতরণ’, ‘মুড়ি পার্টি’ ও ‘বিরিয়ানি পার্টি’র আয়োজন করছেন।

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও ভিপি পদপ্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘আমরা প্রচারণা চালাচ্ছি না। আমরা শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে তাদের কথা শোনার ও বোঝার চেষ্টা করছি।’ আতর বিতরণের বিষয়ে জাহিদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পরামর্শ নিতে যেহেতু হলে হলে যাচ্ছি, তাই হাদিয়া হিসেবে তাদের আতর দিয়েছি।’

ছাত্র অধিকার পরিষদ ও ফেডারেশন মিলে ‘রাকসু ফর র‍্যাডিক্যাল চেঞ্জ’ এবং বাম সংগঠনগুলো ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষার্থী পর্ষদ’ নামে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। তারা হল ও মেসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দাবি সংগ্রহ করছে। এসব দাবি ব্যানারে লিখে ‘গণ-ইশতেহার’ আকারে প্রচার চালাচ্ছে।

গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সংগঠক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের কথা শুনছি এবং ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করছি। এটা আচরণবিধি ভঙ্গ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।’

অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও এজিএস পদপ্রার্থী আল শাহরিয়া শুভ বলেন, ‘আমরা প্রচারণা করছি না, শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়ার খোঁজ নিচ্ছি।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। তবে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক সেতাউর রহমান বলেন, ‘আমাদের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব। কে কোথায় প্রচারণা চালাচ্ছে, তা তো আমরা দেখতে পারব না।’

দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবিএটির ৩৫ বছরে পদার্পণ

ডিআইইউ পাঠকবন্ধুদের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ার অঙ্গীকার

জাতীয় নির্বাচনের আগে ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিত ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না: ডাকসু ভিপি

জকসু প্রতিনিধিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

ঢাবি অধিভুক্ত প্রযুক্তি ইউনিটে ভর্তির আবেদন শুরু ১৪ জানুয়ারি

‘নম্বর টু দ্য ন্যাশনাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন জবির মোস্তাফিজ

নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করল ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ

সাদা অ্যাপ্রোন গায়ে জড়ানোর অপেক্ষায়

স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে স্বর্ণপদক জিতেছেন তারেক

শীতের আবহে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়