ঢাকা: মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা না মেনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জনবল নিয়োগ দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে একটি কমিটি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীরকে আহ্বায়ক করে আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ চার সদস্যের এই কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহানের শেষ কর্মদিবস ছিল আজ। এদিন তিনি ১৪০ জনকে অ্যাডহকভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে আজ ছাত্রলীগ, চাকরি প্রত্যাশী এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস ছেড়ে নগরীর চৌদ্দপায় এলাকায় বিশ্ববিদালয় হাউজিং সোসাইটিতে নিজের বাড়িতে ওঠেন উপাচার্য সোবহান। ২০১৭ সালের ৭ মে দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্যের দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে এর আগে ইউজিসি তদন্ত করে। তদন্ত প্রতিবেদনে উপাচার্যের বিরুদ্ধে নিয়োগ কার্যক্রমসহ আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ গত ১০ ডিসেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখতে উপাচার্যকে অনুরোধ করা হয়েছিল।
এই অবৈধ নিয়োগ ও অনিয়ম প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে সুপারিশ জমা দিতে বলা হয়েছে। ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব মো. জাকির হোসেন আখন্দকে কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে।
কমিটিতে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পরিচালক মোহাম্মদ জামিলুর রহমান।