রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া কলার হাটে উল্টে যাওয়া বালুবাহী ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে এক কিশোরসহ চারজন নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। হতাহত ব্যক্তিরা কলার হাটের ক্রেতা-বিক্রেতা।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন নাটোর সদর উপজেলার কাফুরিয়া গ্রামের মো. শাহিনের ছেলে মো. সিয়াম (১৫), একই উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের আক্কেল আলীর ছেলে মো. মনকের (৩৮), বাগাতিপাড়া উপজেলার সালাইনগর গ্রামের মো. সইমুদ্দিনের ছেলে মো. সেন্টু (৪০) এবং রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার আসকরপুর গ্রামের মৃত মাহাতাব আলীর ছেলে ইসলাম উদ্দিন (৬০)।
দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের একজন হলেন রায়হান আলী (২৫)। তিনি পুঠিয়া উপজেলার খুটিপাড়া গ্রামের আব্দুল জলিল উদ্দিনের ছেলে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুঠিয়ার পবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, সকালে রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কের পাশে কলার হাট বসেছিল। তখন মহাসড়ক দিয়ে নাটোরের দিকে যাচ্ছিল একটি বালুবাহী ট্রাক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি মহাসড়কের পাশে উল্টে যায়। এতে চারজন প্রাণ হারিয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন। ট্রাকটিকে হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নিয়ে গেছেন।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। তাঁদের সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করতে বলা হয়েছে। মামলা করলে তা গ্রহণ করা হবে। তখন ট্রাকের চালক ও সহকারীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।