ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নবনির্বাচিত সদস্য হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে যুবলীগের এক নেতাকে পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতা যশোর অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহসভাপতি প্রজিৎ কুমার বিশ্বাস ওরফে বুলেট। আজ শনিবার তাঁকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুন্দলী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি অরুপ মল্লিক ও সাধারণ সম্পাদক পল্লব বিশ্বাস। গতকাল শুক্রবার তাঁকে এই বহিষ্কার আদেশ দেওয়া হয়।
জানা যায়, গত সোমবার রাতে সুন্দলী ইউপির নবনির্বাচিত সদস্য উত্তম সরকারকে তাঁর বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার রাতে নিহত ব্যক্তির স্ত্রী শ্রাবন্তী সরকার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে অভয়নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই দিন রাতে সুন্দলী ইউনিয়নের ছোট সুন্দলী গ্রামে অভয়নগর থানা ও যশোর জেলা ডিবি পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে বুলেটকে আটক করে। বুলেটের স্বীকারোক্তি মোতাবেক বুধবার গভীর রাতে তাঁর ঘরে তল্লাশি চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রের তিনটি গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে সুন্দলী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি অরূপ মল্লিক ও সাধারণ সম্পাদক পল্লব বিশ্বাসের সঙ্গে ফোনে জানান, ইউপি সদস্য উত্তম সরকার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকা ও সংগঠনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে, ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহসভাপতি প্রজিৎ কুমার বিশ্বাস ওরফে বুলেটকে তাঁর পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে ইউনিয়ন যুবলীগের এক জরুরি সভা থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।
উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. তালিম হোসেন মুঠোফোনে বলেন, যুবলীগে সন্ত্রাসীদের কোনো ঠাঁই নেই। সুন্দলী ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহসভাপতি প্রজিৎ কুমার বিশ্বাস ওরফে বুলেটকে তাঁর পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।