কুষ্টিয়ায় রান্না ঘরের মাটি খুঁড়তেই মিললো গৃহবধূর গলিত মরদেহ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাড়ির মালিক মুরাদ হোসেন জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে রুবিনা নামে এক প্রতিবেশী বাড়ির ভিতরে পানি আনতে গেলে পচা গন্ধ পায়। সে বিষয়টি আমাকে জানালে আমি খবরটি পুলিশকে জানাই।
মুরাদ হোসেন আরও জানান, গত ফ্রেব্রুয়ারি মাসে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বাসিন্দা মো. আলামিন এক হাজার টাকা মাসিক চুক্তিতে তার বাসা ভাড়া নেন। ওই বাসায় আলামিন ও তার স্ত্রী মোছা. রিমি থাকতো। কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেইটে জাহাঙ্গীর হোটেলে মিষ্টি বানানোর কাজ করতো আলামিন। বাসা ছেড়ে দেয়নি সে। কিন্তু গত একমাস থেকে দেখা যায়নি আলামিন ও তার স্ত্রীকে। বাড়ি ভাড়ার জন্য অনেকবার ফোন দিয়েও আলামিনের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলেও জানান তিনি।
প্রতিবেশী ও পুলিশের ধারনা, পারিবারিক কলহের জের ধরে একমাস আগে বাসার ভাড়াটিয়া তার স্ত্রীকে হত্যা করে মাটি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি (তদন্ত) নিশিকান্ত সরকার বলেন, খবর পেয়ে রাতেই মাটি সরিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মরদেহটি কার এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে বলা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।