দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ক্লার্ক ও পিয়ন পদে চাকরি দেওয়ার নামে ৩০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে রিফাত হাসান নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রমনা থানার এসআই মিলন মিয়া আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুদক কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে রিফাত হাসান চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করেন। তাঁর ফাঁদে পা দেন বরিশাল থেকে আসা দুই ভাই। তাঁদের চাকরি বাবদ ৩০ হাজার টাকা আদায় করেন রিফাত।
মিলন মিয়া জানান, ওই দুই ভুক্তভোগী রিফাতকে দুদক কার্যালয়ের ফটকে নিয়ে যান। পরে দুদকে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীরা রিফাত যে দুদক কর্মকর্তা নন তা নিশ্চিত করে তাঁকে আটকে রাখেন। এরপর প্রতারণার অভিযোগে তাঁকে রমনা থানায় সোপর্দ করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ক্লার্ক ও পিয়ন পদে সহোদর দুই ভাই শহীদুল ইসলাম ও মো. রফিকুল ইসলামকে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন রিফাত হাসান। শুধু তাই নয় রিফাত তাঁদের কাছে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন।
প্রতারক রিফাত হাসান বাদীদের মোবাইলে ফোন করে শিল্পকলা একাডেমির ফটকে আসতে বলেন। তখন নিরাপত্তাকর্মীসহ দুদকের একটি টিম তাঁকে চ্যালেঞ্জ করে পরিচয় জানতে চায়। তিনি নিজেকে দুদকের কর্মকর্তা পরিচয় দিতে ব্যর্থ হলে তাঁকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রমাণিত হয় যে, তিনি ভুয়া কর্মকর্তা ও প্রতারক। তাঁর কাছ থেকে ছয়টি সিম কার্ড, কয়েকটি এটিএম কার্ড ও বিভিন্ন কর্মকর্তার নামে ভুয়া পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়।
রমনা থানার এসআই মিলন মিয়া জানান, রিফাতকে দুদক আটক করে থানায় সোপর্দ করার পর থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়। ভুক্তভোগী দুজনের মধ্যে শহীদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করলে তাতে রিফাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।