করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলায় ডা. সাবরিনা শারমিনের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। তাঁকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
সাবরিনার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বিচারিক আদালতে মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। সাবরিনা ও তাঁর স্বামী আরিফুল চৌধুরী ছাড়াও এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও এবং জেবুন্নেসা।
গত বছরের ৫ আগস্ট তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। ২০ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত। অভিযোগপত্রে সাবরিনা ও আরিফুলকে জালিয়াতি ও প্রতারণার মূল হোতা ও বাকি ছয়জনকে সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
সাবরিনার আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলেন, ‘তিনি (ডা. সাবরিনা) একজন কার্ডিয়াক সার্জন। মামলার এফআইআরএ তাঁর নাম ছিল না। এমনকি অন্য আসামিরাও ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে সাবরিনার নাম বলেনি। তাঁকে আটকে রেখে লাভ কী?’
করোনার ভুয়া রিপোর্ট দানকারী প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথ কেয়ারের কর্ণধার আরিফুল চৌধুরীর স্ত্রী ডা. সাবরিনা। জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ছিলেন। মামলার পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।