ভুয়া পরোয়ানায় ৬৮ দিন কারাগারে থাকা আওলাদ হোসেনকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
আজ সোমবার বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের বেঞ্চ এ রুল দেন।
ভুয়া পরোয়ানা তৈরির সঙ্গে জড়িত ১০ জনকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আওলাদ হোসেন সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রোগ্রাম অফিসার।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এমাদুল হক বসির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।
এর আগে আওলাদ হোসেনের স্ত্রীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ভুয়া ওয়ারেন্ট কারা ইস্যু করে তা খুঁজতে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে রুলও জারি করা হয়। নির্দেশ অনুযায়ী সিআইডি ভুয়া পরোয়ানা তৈরি চক্রের ১০ জনকে শনাক্ত করে।
ওই রুল শুনানির ধারাবাহিকতায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে আবেদন করা হয়। এমাদুল বসির জানান, আওলাদ হোসেন একের পর এক ভুয়া পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ৬৮ দিন কারাবাস করেন। পরে হাইকোর্টের আদেশে মুক্তি পান।
উল্লেখ্য, একের পর এক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখিয়ে বিভিন্ন কারাগারে রেখে এবং এক আদালত থেকে আরেক আদালতে হাজির করা হয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রোগ্রাম অফিসার আওলাদ হোসেনকে। তাঁকে বেআইনিভাবে আটক রাখা হয়নি, তা নিশ্চিতে হাইকোর্টে হাজির করার জন্য নির্দেশনা চেয়ে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে রিট করেন আওলাদের স্ত্রী।
নথিপত্র থেকে জানা যায়, নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগে কক্সবাজারের একটি মামলায় ২০১৯ সালের ৩০ অক্টোবর আওলাদকে আশুলিয়া থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেদিন আওলাদকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। জামিন আবেদন করলে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আশুলিয়া) তা নামঞ্জুর করে নথিপত্র কক্সবাজারের আদালতে পাঠানোর আদেশ দেন।