বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সবশেষ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছিল। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাই গত মাসে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তদন্ত শেষে আজ এনএসসিতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
গত ১১ মার্চ গঠিত ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয় সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে। প্রতিবেদনের জন্য ১৫ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল এই কমিটিকে। নির্ধারিত সময়ের আগেই এনএসসিতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি।
বিসিবির সবশেষ নির্বাচনে জয়ী হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড। অভিযোগ আছে, নির্বাচনে তৎকালীন সরকারের হস্তক্ষেপ হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য অভিযোগ তো ছিলই। সব মিলিয়ে নির্বাচনের আগেই সরে দাঁড়ান ঢাকার বেশ কিছু ক্লাব সংগঠক। পরবর্তীতে নতুন সরকার গঠনের পর তদন্তের দাবি জানান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো ক্লাব কর্তারা।
প্রতিবেদন চলাকালীন গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকজন বিসিবি পরিচালক সরে দাঁড়িয়েছেন। যেটা বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি বুলবুল। তবে তদন্ত কমিটির যাকে সাড়া দেননি তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া।
তদন্ত কমিটির প্রধান আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা আমাদের সুপারিশ দিয়েছি। বিশেষ করে সম্পর্কগুলো কীভাবে আরও সুন্দর করা যায় এবং যেসব ভুল বা বিচ্যুতি পাওয়া গেছে তা কীভাবে সংশোধন করা সম্ভব, সে বিষয়ে আমরা নির্দিষ্ট কিছু সুপারিশ করেছি। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গেই যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। সবাই (নির্বাচন কমিশনের সদস্য) সরাসরি না আসলেও আমাদের প্রশ্নের লিখিত উত্তর দিয়েছেন। রিপোর্টে এসব তথ্য আপনারা বিস্তারিত পেয়ে যাবেন।’
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘কাউকে অভিযুক্ত করে নয়, আমরা নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিয়েছি। সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে আমরা চিঠি লিখেছিলাম। তাঁকে অভিযুক্ত করার জন্য নয়, বরং বক্তব্য শোনা এবং কিছু বলতে চান কি না তা জানার জন্য। আমরা সময় দিয়েছিলাম এবং অপেক্ষা করেছি, কিন্তু তিনি আমাদের কাছে আসেননি।’