পিরোজপুরের কাউখালীতে গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগ অভিযুক্ত মেহেদি হাসানকে (২২) পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও অপর সহযোগী পালিয়ে গেছে। ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কাউখালী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ডুমজুড়ী গ্রামের বাদশা শেখের ছেলে মেহেদি হাসান (২২) ও চর বাশুরী এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে বাদল হোসেন (২০) শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ও সেটির ভিডিও ধারণ করে। এ ব্যাপারে কাউখালী থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে দুজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কাউখালী উপজেলা হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে পিরোজপুর জেলা সদর হাসপাতাল পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বনী আমিন বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মত খালেদা খাতুন রেখা এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাহমুদ খান খোকনের সহায়তায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। মেহেদির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করা হয়েছে ।