হোম > অর্থনীতি

লিটারে ২৫ টাকা বেড়ে জেট ফুয়েল এখন ২২৭ টাকা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইল ছবি

দেশে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি তেল জেট ফুয়েলের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী প্রতি লিটারে জেট ফুয়েলের দাম প্রায় ২৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ২২৭ টাকা ৮ পয়সা। নতুন এই সিদ্ধান্ত আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

আজ এ-সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

এর আগে গত ২৪ মার্চ জেট ফুয়েলের দাম এক দফায় ৯০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। ফলে এক মাসের ব্যবধানে জ্বালানির দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটল, যা দেশের বিমান পরিবহন খাতে নতুন চাপ সৃষ্টি করবে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২২৭ টাকা ৮ পয়সা, যা মার্চে ছিল ২০২ টাকা ২৯ পয়সা। তার আগে এই জ্বালানি বিক্রি হতো ১১২ টাকা ৪১ পয়সা দরে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রেও জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১ দশমিক ৩২১৬ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ৪৮০৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এই দাম ছিল শূন্য দশমিক ৭৩৮৪ ডলার।

বিইআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতি, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও বিদ্যমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতেই এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নতুন এই মূল্য বহাল থাকবে।

জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধির ফলে বিমানভাড়া বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ পড়তে পারে। একই সঙ্গে এ খাতে পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এয়ারলাইনসগুলোও আর্থিক চাপে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের অদেখা জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পদযাত্রা ও চিত্র প্রদর্শনী

কমল জেট ফুয়েলের দাম

ঈদ উপহার পেলেন ২৮,৩৬৫ জন আনসার-ভিডিপির সদস্য ও কর্মচারী

সোনার দাম কমল ২১৫৮ টাকা

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করবে এসওএস ও বিএসআরএম

পিআরআইয়ের সতর্কতা: প্রবৃদ্ধিমুখী ব্যয় পদক্ষেপে বাড়বে মূল্যস্ফীতির চাপ

ঋণের বোঝা দরিদ্র দেশের কাঁধে

আস্থার ঘাটতির মধ্যেই বড় বিনিয়োগের স্বপ্ন

প্রাইম ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

৯১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১২ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের চুক্তি, বেশির ভাগই সৌরবিদ্যুৎ