হোম > অর্থনীতি

বন্ড সুবিধায় ৫ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ফাইল ছবি

বন্ড সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির নামে প্রায় ৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে ঢাকা উত্তর কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে, গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত মেসার্স নেত্রকোনা অ্যাক্সেসরিজ লিমিটেড। ঢাকা উত্তর বন্ড কমিশনারেটের সাম্প্রতিক অভিযানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধায় ৬৬০ টন কাঁচামাল আমদানি করলেও তা উৎপাদনে ব্যবহার না করে অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রি করেছে।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের শ্রীপুরের কেওয়া পূর্বখণ্ড কেওয়া বাজারে অবস্থিত মেসার্স নেত্রকোনা অ্যাক্সেসরিজ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধা বা শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা কাঁচামাল অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রি করে দিয়েছে বলে তথ্য পায় বন্ড কর্মকর্তারা। এরই ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বন্ড ঢাকা উত্তর কমিশনারেটের একটি প্রিভেনটিভ টিম প্রতিষ্ঠানটির বন্ডেড ওয়্যারহাউসে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে দেখা যায়, গার্মেন্টস ও তৈরি পোশাক (নিট) কারখানাটির সর্বশেষ ইউটিলাইজেশন পারমিট (ইউপি) ইস্যু হয়েছিল চলতি বছরের ২০ জুলাই, যার আওতায় আমদানি করা কাঁচামাল শুধু রপ্তানিমুখী পণ্যে ব্যবহারের অনুমতি ছিল। কিন্তু তদন্তে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি এসব কাঁচামালের বড় একটি অংশ উৎপাদনে ব্যবহার না করে অবৈধভাবে সরিয়ে ফেলেছে।

প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে, ৬৬০ টন বন্ড সুবিধার কাঁচামাল সরিয়ে ফেলা হয়েছে, যাতে শুল্ককরের পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ধারণা করা হচ্ছে, শুল্ককর ফাঁকি দিতে এসব কাঁচামাল অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এতে সরকার বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে কাঁচামালের হিসাব ও উৎপাদনের তথ্যের মধ্যে বড় ধরনের গরমিল পাওয়া গেছে। শিগগির প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।

স্কয়ার ফার্মার ১০ লাখ শেয়ার কিনবেন রত্না পাত্র

ভেনামি চিংড়ির পোনা আমদানি স্থগিত

বন্ধ ও লভ্যাংশহীন কোম্পানির জন্য হচ্ছে ‘আর’ ক্যাটাগরি

পাঁচ ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশ-নেপাল বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে

ব্যবসায়িক সংগঠনের সনদ দেওয়ার ক্ষমতা থাকছে না

চট্টগ্রাম বন্দর: ৪৫ লাখ টন পণ্য নিয়ে ভাসছে বড় বড় জাহাজ

বাজারদর: সবজির দাম চড়া, চাল চিনি, মুরগিও ঊর্ধ্বমুখী

২০২৬ সালের জেসিআই ইন বিজনেস কমিটি ঘোষণা

এলপিজি সংকটের জন্য ইরান পরিস্থিতি দায়ী: বিইআরসি চেয়ারম্যান