সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মুবাশ্বির আলীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ করেছে বিএনপি। তিনি অন্য প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন বলে অভিযোগ দলটির।
এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি শাহ মুবাশ্বির আলী। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তাঁরা কেন এই অভিযোগ করলেন, আমার জানা নেই। আমি কারও পক্ষেই কাজ করছি না। নিরপেক্ষভাবে কাজ করছি। কাউকে প্রচারণায় বাধাও দিচ্ছি না।’
তবে এসএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হয়তো কমিশনার স্যারের কাছে উনারা দিয়েছেন। এ বিষয়ে এখনো আমি কিছু জানি না।’
আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেট-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট রেজাউল হাসান কয়েস লোদী সিলেটের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং এসএমপি কমিশনারের কাছে লিখিতভাবে এই অভিযোগটি দাখিল করেন। একই সঙ্গে অভিযোগের অনুলিপি প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
দাখিল করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ‘আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা লক্ষ করছি সিলেট মহানগর পুলিশের আওতাধীন এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মুবাশ্বির আলী নানাভাবে আমাদের কর্মী-সমর্থকদের হয়রানি করে আমাদের প্রার্থীর স্বাভাবিক প্রচার-প্রচারণায় বিঘ্ন সৃষ্টি করছেন।’
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, একই সঙ্গে তিনি অন্য একজন প্রার্থীর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এমতাবস্থায় ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় সংসদ নির্বাচনে অত্র থানা এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে নিদারুণ উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থের ওসি মোবাশ্বির আলীর বিষয়ে অভিযোগ দাখিল করেছি। তিনি একজন প্রার্থীর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এটা কখনো মেনে নেওয়া যায় না। একই সঙ্গে আমাদের কর্মী-সমর্থকদের হয়রানি করেই যাচ্ছেন। আমরা এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়েছি লিখিত অভিযোগে।’