নেত্রকোনা: শত চেষ্টা করেও নয় বছরে মৃত থেকে জীবিত হতে পারেননি নেত্রকোণার মদন উপজেলার সাংবাদিক আবদুল আওয়াল (৩১)। তিনি উপজেলা পৌর সদরের পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে।
জাতীয় একটি দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক আবদুল আওয়ালের নাম ভোটার তালিকায় প্রথম ওঠে ২০০৮ সালে। এর পর ২০১২ সালে তিনি জানতে পারেন, তালিকায় মৃত হিসেবে উল্লেখ রয়েছে তাঁর নাম। এর পর থেকে আজ পর্যন্ত নির্বাচন কার্যালয়ে বারবার আবেদন করেও সংশোধন করতে পারেননি বিষয়টি। ফলে এক অর্থে জীবন্মৃত দশায় আছেন তিনি। ভুগতে হচ্ছে নানা সমস্যায়। ভোটার তালিকায় তাঁকে মৃত উল্লেখ করায় চাকরির আবেদনের পাশাপাশি সরকারি সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত তিনি। এমনকি জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য করোনার টিকা পর্যন্ত দিতে পারেননি তিনি। এ নিয়ে খুবই দুর্বিসহ দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।
এ বিষয়ে আবদুল আওয়াল আজকের পত্রিকাকে আক্ষেপ করে বলেন, ‘ভোটার তালিকায় নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে আবেদন করেছি। গত নয় বছরে বিভিন্ন সময় উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়েছি। অফিসাররা শুধু আশ্বাস দেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।’ অনেকটা শ্লেষ মিশিয়েই বললেন, ‘এখনো জীবিত হতে পারলাম না। আমি জানি না কবে জীবিত হতে পারব।’
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুল লতিফ শেখ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কাছে লিখিত কোনো আবেদন আসেনি। আবেদন এলে সংশোধন করে দেওয়া হবে।’