দৌলতপুর (কুষ্টিয়া): কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও রেকর্ডসংখ্যক সংক্রমণ হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে গতকাল বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৬টি নমুনায় ৪৯ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। মারা গেছেন আরও দুজন। এ নিয়ে উপজেলায় মোট সংক্রমিত ৭১৬ জন এবং মোট মৃত্যু ২৪ জনের। করোনাভাইরাস নিয়ে জেলা প্রশাসকের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত কো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার চলছে সরকারঘোষিত লকডাউনের প্রথম দিন। লকডাউন বাস্তবায়নে প্রস্তুত উপজেলা প্রশাসন। ভোররাত থেকে বৃষ্টির কারণে বাইরে দেখা যায়নি সাধারণ মানুষ।
তবে কঠোর বিধিনিষেধে নির্ধারিত সময়ের পরে দোকানপাট খোলা রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার দায়ে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার সময় ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার উপজেলার ঘোড়ামারা বাজার ও দৌলতপুর বাজারে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে রেজাউল খাঁ ও বজলুর রহমান নামে দুজন দোকানমালিককে এ জরিমানা করেন।
সে সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার দৌলতপুরবাসীকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশ প্রদান করেন।
এদিকে হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় করোনা রোগীর চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজন হাইফ্লো অক্সিজেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মো. তৌহিদুল হাসান তুহিন জানান, `মেডিকেল অফিসার দিয়েই চালাচ্ছি করোনা রোগীর চিকিৎসা। এছাড়া কিছু সাধারণ অক্সিজেন হাসপাতালে আছে, যা দিয়েই রোগীদের চাহিদা মেটাচ্ছি। রোগী বাড়লে যেকোনো সময় অক্সিজেনের সংকট দেখা দিতে পারে। আর জরুরি রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আমরা কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে (কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল) পাঠাচ্ছি।