কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘরমধুয়া কাচারিপাড়া এলাকা থেকে এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই কিশোরের নাম ইমন আলী (১৭)। আজ বুধবার বাড়ির পাশের পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ইমন আলী ওই এলাকার জামসের আলীর পুত্র।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ইমন আগে ঢাকায় কাজ করত। করোনায় কাজ হারিয়ে সে বেকার হয়ে যাওয়ায় বাড়িতেই ছিল। বাড়িতে বেশ কিছুদিন আগে সে বিয়ের কথা বলেছিল। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় তার বাবা বলেছিলেন দুই মাস পরে বিয়ে দেবেন। ধারণা করা হচ্ছে, দেরিতে বিয়ের কথা বলায় বাবার ওপর অভিমান করে সে পুকুরপাড়ে গাছের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
বাগুলাট ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মিলন হোসেন বলেন, 'ইমন বাড়িতে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল। তার বাবা রাজি ছিল না বিয়েতে। সেই অভিমানে সে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।'
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামারুজ্জামান তালুকদার বলেন, 'বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ের গাছ থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।'
কামারুজ্জামান তালুকদার আরও বলেন, 'বাড়িতে বিয়ের কথাবার্তা চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিয়ে সংক্রান্ত জের ধরেই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে।'