হোম > সারা দেশ > খুলনা

শীতের সবজিতেও আগুন: নতুন আলু ১৪০ টাকা কেজি, ক্রেতাদের অসন্তোষ

রাকিবুল ইসলাম, গাংনী (মেহেরপুর)

গাংনী উপজেলার বামন্দী বাজার থেকে গতকাল বিকেলে তোলা। ছবি: আজকের পত্রিকা

শীতের আগমন ঘটলেও সবজির দামে কোনো স্বস্তি ফেরেনি। বাজার করতে গিয়ে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে। শীতকালে সবজির দাম কম থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম চড়া। এরই মধ্যে বাজারে এসেছে নতুন আলু, যার দাম আকাশছোঁয়া। নতুন আলু প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে, আর পুরোনো আলুর দাম ১০০ টাকায় ৪-৫ কেজি।

এদিকে নতুন পেঁয়াজ বাজারে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হলেও পুরোনো পেঁয়াজের কেজি ১২০ টাকা। বিক্রেতারা দায় চাপাচ্ছেন বেশি দামে ক্রয় করার ওপর। অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, পর্যাপ্ত বাজার মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছেন। উপজেলা প্রশাসন বলছে, বাজার মনিটরিং বাড়ানো হবে।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বামন্দী বাজারে দেখা গেছে, নতুন পেঁয়াজ বিক্রয় হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। পুরোনো পেঁয়াজ ১২০ টাকা কেজি এবং রসুনের কেজি ৭০ টাকা। নতুন আলু ১৪০ টাকা কেজি এবং পুরোনো আলু ১০০ টাকায় ৪-৫ কেজি। প্রতিটি সবজির দামও বেশি। ব্যবসায়ী ও বাজার করতে আসা বিভিন্ন ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজার করতে আসা লিটন আহমেদ বলেন, ‘বাজারে পুরোনো পেঁয়াজের কেজি ১২০ টাকা। আর নতুন পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজি। নতুন আলু ১৪০ টাকা কেজি। আর পুরোনো আলু ১০০ টাকায় ৪ কেজি পাওয়া যায়। রসুন ৭০ টাকা কেজি। এ ছাড়াও বেড়েছে সবজির দাম। বাজার করে শান্তি মিলছে না কারও।’

বাজার করতে আসা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা নিম্ন আয়ের মানুষ। প্রতিদিন খেটে যা আয় করি, তা ফুরিয়ে যায় খাবার কিনতেই। কিছু টাকা জমিয়ে রাখব, তার কোনো উপায় নেই। প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েছে। বাজার করতে গিয়ে শান্তি পাচ্ছি না।’

বাজার করতে আসা আকাশ হোসেন বলেন, ‘দিন যত যাচ্ছে, আয়ের সঙ্গে বাজারের হিসাব মেলানো তত কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আয়ের চেয়ে যদি ব্যয় বেশি হয়ে যায়, তাহলে পরিবারের মুখে ভালো খাবার তুলে দেওয়া কঠিন। বাজার নিয়ে কোনো সিন্ডিকেট কাজ করছে কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।’

বামন্দী বাজারের সবজি ব্যবসায়ী তমছের আলী বলেন, প্রতি কেজি বেগুন ৬০ টাকা, ফুলকপির পিস ৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা কেজি, টমেটো ১০০ টাকা, মুলা ৪০, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ১০০ এবং গাজর ৮০ টাকা কেজি।

বামন্দী বাজারের ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ বলেন, ‘আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়েছে। তাই বেশি দামে বিক্রয় করতে হচ্ছে।’

গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘গাংনী উপজেলায় সবজির উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে অনেক সবজি ঢাকা যাচ্ছে। ঢাকায় সবজির চাহিদা বেশি থাকার কারণে আমাদের এখানে এর প্রভাব পড়ছে। বাজারে নতুন আলু প্রথম উঠেছে, তাই দাম বেশি। আশা করছি, আস্তে আস্তে দাম কমবে।’

গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাজার মনিটরিং করা হবে। কোনো সিন্ডিকেট তৈরি করতে দেওয়া হবে না। দ্রব্যমূল্যের দাম অতিরিক্ত নিলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর জন্য বাজারের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সকলের সহযোগিতা চাই।’

খুলনায় যুবককে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তের গুলি

খুলনায় রমজানে গরুর গোশত ৭৪০, খাসি ১১০০ টাকা

খুলনায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

খুলনায় চেগা সোহেল গুলিবিদ্ধ

মন্ত্রিসভায় খুলনার কেউ নেই, হতাশ বিএনপিও

সুন্দরবন উপকূলে বনদস্যুদের হানা, ২০ জেলে অপহরণ

খুলনার ১৫ স্থানে ট্রাকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

খুলনায় ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

খুলনা অঞ্চল: বিএনপির বিভেদে জামায়াতের উত্থান

খুলনায় আ.লীগ কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা