হোম > সারা দেশ > দিনাজপুর

শিক্ষকের বাসাবাড়িতে গোখরো সাপ, উদ্ধার করল বন বিভাগ

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরে এক শিক্ষকের বাসাবাড়িতে গতকাল শুক্রবার একটি বিষধর পদ্ম গোখরো সাপের বাচ্চা ধরা পড়ে। পরে খবর পেয়ে আজ শনিবার দুপুরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জেলা শহরের উপশহরের ১০ নম্বর ব্লকের তৈয়বা মজুমদার ব্লাড ব্যাংক এলাকা থেকে এটি উদ্ধার করেন। 

স্থানীয় লোকজন জানান, গতকাল সকালে উপশহরের তৈয়বা মজুমদার ব্লাড ব্যাংকের পাশে রশিদুল হাসান কচি নামের এক শিক্ষক নিজের বাড়ির বাগান পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় পদ্ম গোখরো সাপের একটি বাচ্চা দেখতে পান। বিষধর সাপ দেখে প্রথমে তিনি ভয় পেলেও পরে ছেলের সহায়তায় এটি একটি বয়ামে ভরে রাখেন। 

শিক্ষক রশিদুল হাসান কচি জানান, প্রতি শুক্রবার ছুটির দিনে তিনি বাড়ির সামনের বাগান পরিষ্কার করেন। বরাবরের মতো বাগান পরিষ্কার করার সময় তিনি সাপটি লুকানো অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় কিছুটা ভয় পেলেও পরে সাহস করে তাঁর ছেলে তানজিরুল হাসান আবিরের সহায়তায় সাপটি লাঠি দিয়ে কৌশলে আটক করে প্লাস্টিকের বয়ামে ভরে রাখেন। 

সাপটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ৯৯৯ নম্বরে কল দেন রশিদুল হাসান কচি। তিনি বলেন, ‘৯৯৯ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়া হয়। পরে যোগাযোগ করলে তিনটি নম্বরে কাউকেই পাওয়া যায়নি।’ 

পরে আজ সকালে ওই তিনটি নম্বরে কল দেওয়া হলে দুপুরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা রশিদুল হাসান কচির বাড়িতে যান। এ সময় বন বিভাগের সদর উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দল মান্নান ও ধর্মপুর বিট কর্মকর্তা মহসিন আলীর কাছে তিনি সাপটি হস্তান্তর করেন। 

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সাপটি বনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ফুলবাড়ীতে আদিবাসীপল্লি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করলেন নরওয়ের রাষ্ট্রদূত

হাবিপ্রবিতে এআই উদ্ভাবনবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফুলবাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, তিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

বিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: ৩ বছর ধরে অস্ত্রোপচার বন্ধ, রোগীদের দুর্ভোগ

দিনাজপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

ফুলবাড়ীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ, এক সপ্তাহে ৮৮ জন হাসপাতালে ভর্তি

দিনাজপুরের বনতারা সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে স্থানীয়দের হাতে ৪ জন আটক

এক মাস পর চালু বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট

২৯ দিন পর ফের সচল বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট

পুকুরপাড়ে পড়ে আছে সাইকেল, স্কুলব্যাগ আর জুতা—শুধু নেই আবির