ঢাকা: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দরিদ্র শ্রেণির মানুষেরা। এ অবস্থায় লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুস্থ, অসচ্ছল ও ভাসমান মানুষদের সহায়তায় ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম গণমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রী সব জেলা প্রশাসকের অনুকূলে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এই অর্থ বরাদ্দ করেছেন। এই অর্থ জেলাগুলোর জনসংখ্যা এবং ত্রাণের চাহিদার ভিত্তিতে বরাদ্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় তালিকা অনুসারে তৃণমূলের অভাবগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এই তহবিল থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হবে বলে জানান ইহসানুল করিম।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকমাত্রায় বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল প্রথম গণপরিবহনসহ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরিস্থিতি বিবেচনায় সাত দিনের জন্য ঘৌষিত এই বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও দুদিন বাড়ানো হয়। পরে গত ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের `সর্বাত্মক লকডাউন’ ঘোষণা করে সরকার। লিখিতভাবে যদিও একে চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ বলা হচ্ছে। এই কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার।
অবশ্য তার আগেই নতুন করে এই কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল করা হয়েছে। এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন দরিদ্র শ্রেণির মানুষেরা। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত নিম্ন আয়ের মানুষের অনেকেই কাজ হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।