নিখোঁজের তিন দিন পর ভোলার দৌলতখানে প্রবাসীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ওই বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে ওই প্রবাসীর স্ত্রী পলাতক রয়েছেন।
নিহত যুবকের নাম লিটন (৩২)। তিনি উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নায়েব বাড়ির হারুন নায়েবের ছেলে। পুলিশের ধারণা, যেকোনো বিরোধের জেরে লিটনকে হত্যার পর তাঁকে গুমের চেষ্টা করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন দিন আগে (১০ মার্চ) মঙ্গলবার নিখোঁজ হন লিটন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এ বিষয়ে নিহতের পরিবার দৌলতখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এর পর থেকে পুলিশ নিখোঁজ যুবক লিটনকে বিভিন্ন এলাকায় খুঁজতে থাকে।
একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশ আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরের দিকে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নায়েব বাড়ির ওই প্রবাসীর সেপটিক ট্যাংক থেকে লিটনের মরদেহটি উদ্ধার করে। এ সময় স্থানীয় উৎসুক জনতা ওই বাড়িতে জড়ো হন।
এ বিষয়ে দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলাও প্রক্রিয়াধীন। ঘটনার তদন্ত চলছে।
ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন, যে বাড়িতে লাশ পাওয়া গেছে, সেই বাড়ির লোকজন সবাই পলাতক। তাঁদের আটকের জন্য পুলিশের কয়েকটি দল কাজ করছে। তাঁদের আটক করা গেলেই হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।