আমরা সবাই এ দেশের সমান নাগরিক। কেউ ‘মাইনরিটি’ বা সংখ্যালঘু নই। নিজেদের সংখ্যালঘু ভেবে হীনম্মন্যতায় ভোগার কোনো কারণ নেই—এই শব্দটিও আমাদের আর উচ্চারণ করা উচিত নয়। শনিবার দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে জিবিসি শতরূপা ভবন চত্বরে উইমেন্স সোসাইটি গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশনের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবি ‘ভূমি ব্যবস্থাপনা’ বিষয়টি নিয়ে জিবিসি নেতৃত্বের সঙ্গে বসে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি সুন্দর বাগানের মতো। এখানে হিন্দু, মুসলিম, গারো, হাজং, খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। আমি এই বাগানের একজন মালি হিসেবে সবার সঙ্গে মিলেই কাজ করতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, যোগ্যতার ভিত্তিতে তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশন (জিবিসি) উন্নয়নে সবাইকে নিয়ে কাজ করার আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।
সেন্ট্রাল উইমেন্স সোসাইটির (জিবিসি) সভাপতি পা. সুলেখা স্রংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ফুলবাড়িয়া এপির এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার নম্রতা হাউই। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানা এবং জিবিসির প্রেসিডেন্ট সুবন্ত রখো।
এর আগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঐতিহ্যবাহী গারো নৃত্যের মাধ্যমে প্রধান অতিথিসহ অন্য অতিথিদের বরণ করে নেওয়া হয়। পরে প্রধান অতিথি আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে সুবর্ণজয়ন্তীর কেক কাটেন এবং সুবর্ণজয়ন্তী স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।
সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উইমেন্স সোসাইটির ১১টি বিভাগের নারীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।