হোম > সারা দেশ > যশোর

যশোর ইনস্টিটিউটের নির্বাচনী লড়াইয়ে দুই পরিষদের ৪৬ প্রার্থী

­যশোর প্রতিনিধি

যশোর ইনস্টিটিউট পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী কমিশনার নাইমুর রহমান নাইমের কাছে এ জেড এম সালেক নেতৃত্বাধীন পরিষদ গতকাল মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র দেয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

শত বছরের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান যশোর ইনস্টিটিউট পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনে দুটি প্যানেল মুখোমুখি লড়াইয়ে নামছে। পরিচালনা পরিষদের ২০টি পদের বিপরীতে দুই প্যানেল থেকে ৪৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ ছাড়া দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের এই সংখ্যা জানা গেছে।

নির্বাচনের মূল লড়াইয়ে থাকছে এ জেড এম সালেক স্বপনের নেতৃত্বাধীন ‘সংস্কার ও উন্নয়ন পরিষদ’ এবং আনিসুজ্জামান পিন্টুর নেতৃত্বাধীন ‘পরিবর্তন ও উন্নয়ন পরিষদ’।

যশোর ইনস্টিটিউট পরিচালনা পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও সহকারী কমিশনার নাইমুর রহমান নাইম জানান, যশোর ইনস্টিটিউট পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনে মোট ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে ৪৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৫ এপ্রিল বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর তফসিলে ঘোষিত অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষ করে ২৪ এপ্রিল নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, যশোর ইনস্টিটিউট পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনে দুজন স্বতন্ত্রসহ পৃথক দুটি পরিষদের ৪৬ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে এ জেড এম সালেকের নেতৃত্বাধীন ‘সংস্কার ও উন্নয়ন পরিষদের’ ২৩ জন এবং আনিসুজ্জামান পিন্টুর নেতৃত্বাধীন ‘পরিবর্তন ও উন্নয়ন’ পরিষদের ২১ জন প্রার্থী রয়েছেন। দুটি পরিষদই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় অতিরিক্ত প্রার্থী প্রত্যাহার করে ২০ জনের প্যানেল নিয়ে মূল লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবে। এই দুই পরিষদের বাইরে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়াইয়ে নামছেন মাহাবুবুর রহমান ও নূরুন্নবী।

পরিষদপ্রধান এ জেড এম সালেক স্বপনের নেতৃত্বাধীন ২০টি পদের বিপরীতে রয়েছেন ২৩ জন প্রার্থী। এই পরিষদে অন্যরা হলেন মাহামুদুল হাসান বুলু, সানোয়ার আলম খান দুলু, মুস্তাফিজুর রহমান কবীর, শাহনেওয়াজ আনোয়ার লেনিন, শাহনাজ পারভীন, জুলফিকার হাসান মাসুম, হাচিনুর রহমান, রায়হান সিদ্দিকী প্রবাল, আবুল কায়েস, আক্তারুজ্জামান, শাহাবুদ্দীন সাবু, ইমরান সাদিক, আলমগীর হোসেন বাবু, সৈয়দ শাহজাহান খোকন, ইবাদত খান, জিল্লুর রহমান মানিক, চঞ্চল সরকার, অজয় দত্ত, কাসেদুজ্জামান সেলিম, সাকিব সামরান, সায়েদা বানু শিল্পী ও ফারুখ আহম্মদ সিদ্দিকী (চন্দন)।

যশোর ইনস্টিটিউট পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী কমিশনার নাইমুর রহমান নাইমের কাছে আনিসুজ্জামান পিন্টুর নেতৃত্বাধীন পরিষদ গতকাল মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র দেয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

পরিষদপ্রধান এ জেড এম সালেক স্বপন জানান, যশোর ইনস্টিটিউটের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি নিয়ে তাঁরা লড়াইয়ে নেমেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা ইনস্টিটিউটের সদস্যরা পরিষদের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখবেন এবং তাঁদের পরিষদকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।

অপর দিকে পরিষদপ্রধান আনিসুজ্জামান পিন্টুর নেতৃত্বে ২০টি পদের বিপরীতে ২১ জন সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এই পরিষদে অন্যরা হলেন আবুল হাসিম রেজা, মঞ্জুর কাদের মঞ্জু, শাহাবুদ্দীন, ফেরদৌস হোসেন আলমগীর, জাকির হোসেন, এস এম তোজাম্মেল হক, শারমিন সুলতানা, বদরুজ্জামান, নাছিম উদ্দিন খান, নূর-ই-আলী-নূর-মামুন, জুবায়ের হোসেন, শেখ সাদী হ্যাভেন, হাসেম আলা, হাবিবুর রহমান রুবেল, মোহাম্মদ আব্দুল খালেক, নাসির উদ্দীন মিঠু, মমতাজ খাতুন, আবুল কালাম কালাম আজাদ, তরিকুল ইসলাম ও সালমান হাসান।

পরিষদপ্রধান আনিসুজ্জামান পিন্টু জানিয়েছেন, নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়ে তাঁরা ‘পরিবর্তন ও উন্নয়ন পরিষদ’ নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন। সদস্যরা ইনস্টিটিউটকে আরও গতিশীল করতে তাঁদের ওপর ভরসা রাখবেন এবং ভোটে বিজয়ী করবেন বলে তাঁরা প্রত্যাশা করছেন।

যশোরের প্রাচীনতম বিনোদন সংস্থা ও অভিজাত ক্লাবগুলোর মধ্যে বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান যশোর ইনস্টিটিউট। এটি ১৯২৮ সালে টাউন ক্লাব, নিউ আর্য থিয়েটার ও যশোর পাবলিক লাইব্রেরির সমন্বয়ে গঠিত হয়।

৫০ কোটি ঘুষের প্রস্তাবের অভিযোগ, নাম-পরিচয় জানাতে আমির হামজাকে নোটিশ

ট্রাইব্যুনালের সিসিটিভি ফুটেজ বদল হয়েছে: প্রসিকিউটর

বিদায়ের দিনে ১৪ জনকে পদায়ন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের, সমালোচনার মুখে রাতেই বাতিল

ইডেনের ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গায়ক জাহিদ অন্তু কারাগারে

স্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে স্ত্রীর বাড়িতে যুবকের অনশন

নিজের ব্যানার নিজেই ছিঁড়লেন চসিক মেয়র

নারায়ণগঞ্জে থানা থেকে আসামি উধাও, এসআই প্রত্যাহার

প্রতিমন্ত্রীর আসনে সহায়তার ১০ লাখ টাকা বিতরণ না করার অভিযোগ

লিবিয়ায় জিম্মি চার বাংলাদেশি, নির্যাতন করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

বিমার টাকায় ঋণমুক্ত অসহায় দুই পরিবার