এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলআপে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে নেত্রকোনার মদন উপজেলার মাঘান উচ্চবিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে কারণ দর্শাতে (শোকজ) বলা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম খোকন ও সহকারী শিক্ষক আব্দুল গণি।
গতকাল সোমবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল বারী ওই দুই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর চিঠি দেন। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাঁদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মদন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল বারী।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাঘান উচ্চবিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা করে নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় জুমন মিয়া নামের এক অভিভাবকে লাঞ্ছিত করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল গণি। এ ঘটনায় গত রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ওই অভিভাবক।
এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার বিদ্যালয়ে গিয়ে সরেজমিন বিষয়টির খোঁজ নিলে কয়েকজন শিক্ষার্থীর টাকা ফেরত দেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে গতকাল সোমবার বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলার একাডেমিক সুপারভাইজার জোসনা বেগম বলেন, ‘ইউএনও স্যারের নির্দেশে মাঘান উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। ঘটনার সত্যতা মিলেছে। আদায়কৃত অতিরিক্ত অর্থ ছাত্রদের ফেরত দেওয়া হয়েছে।’
ইউএনও বেদবতী মিস্ত্রী বলেন, ‘লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই প্রতিষ্ঠানে একাডেমিক সুপারভাইজারকে পাঠিয়েছিলাম। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’