নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপি মনোনীত সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিনের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ ও পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হামলাচেষ্টার প্রধান অভিযুক্ত মারুফ হাসান (২২) এবং তাঁর সহযোগী বাক্কা আলামিন (২৪)।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় বাক্কা আলামিনকে কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম দেওভোগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গাইবান্ধা সদরের সিদ্দিকের ছেলে। কাশিপুরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে বুধবার দিবাগত রাত ২টায় র্যাব-১১, সিপিসি-১ নারায়ণগঞ্জের আভিযানিক দল ফতুল্লা থানার চর কাশিপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত মারুফ হাসানকে গ্রেপ্তার করে। মারুফ কাশিপুর ইউনিয়নের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে।
উভয় আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কী কারণে এবং কার নির্দেশে তাঁরা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, বিস্তারিত তদন্তের পর জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে হামলাচেষ্টার ঘটনায় এমপি প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন ফতুল্লা মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে কাশিপুর ইউনিয়নের বাশমুলি এলাকায় যান অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন। এ সময় অপরিচিত এক যুবক আল আমিনের সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মিশে তাঁকে অনুসরণ করতে থাকেন। বিষয়টি টের পেয়ে নেতা-কর্মীরা মারুফকে আটক করেন এবং তাঁর কাছ থেকে একটি চাপাতি উদ্ধার করেন।
এ সময় মারুফ আক্রমণের চেষ্টা করলে তাঁকে থামাতে গিয়ে এনসিপির দুই সদস্য আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে গণপিটুনি দিলে মারুফকে উদ্ধারে দেশীয় অস্ত্র ও দলবল নিয়ে হাজির হন বাক্কা আলামিন। এরপর মারুফকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান তাঁরা। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে এমপি প্রার্থীকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যান।