হোম > সারা দেশ > পিরোজপুর

৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক এমপি মহারাজের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

পিরোজপুর প্রতিনিধি

সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজ। ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মহিউদ্দিন মহারাজ, তাঁর স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং তাঁদের ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে ৬০ কোটি টাকারও বেশি সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে আজ মঙ্গলবার দুপুরে দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মো. মনিরুল ইসলাম তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথক ৩টি মামলা করেছেন। মামলা দায়েরের আগে তিনটি অভিযোগেরই প্রাথমিক তদন্ত করেন পিরোজপুর দুদক কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দুদকের অনুসন্ধানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পিরোজপুর জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পিরোজপুর-২ আসনের এমপি মহিউদ্দিন মহারাজের ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, মার্কেট, দোকান রয়েছে, যার মূল্য ২৭ কোটি ৮৫ লাখ ১০ হাজার ৪২৫ টাকা। ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ও দুটি বিলাসবহুল গাড়িসহ তাঁর অস্থাবর সম্পদ ১৪ কোটি ৫৯ লাখ ১৬ হাজার ৭৮৩ টাকা। ২০১৫ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাঁর পারিবারিক ব্যয় ১২ কোটি ৩৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫৪২ টাকা। এই সময়ে তাঁর মোট উপার্জন ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। কিন্তু দুদক অনুসন্ধানে তাঁর গ্রহণযোগ্য উপার্জিত আয় পায় ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার ১১৮ টাকা। দুদক মহারাজের কোনো দায়-দেনা না পাওয়ায় মোট অবৈধভাবে সম্পদের অর্জন পায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার ৬৩১ টাকার।

একই ভাবে মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের জমি, ফ্ল্যাট, দোকানসহ স্থাবর সম্পদ ১ কোটি ৬৬ লাখ ৫৩ হাজার ৮০০ টাকার। অস্থাবর সম্পদ ৬ কোটি ৮৮ লাখ ১৬ হাজার ৮৪২ টাকার। তিনি ২০১৪ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত কর পরিশোধ ও পারিবারিক ব্যয় দেখিয়েছেন ৫১ লাখ ১ হাজার ৬৮৪ টাকা। কিন্তু তাঁর গ্রহণযোগ্য আয় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৮০০ টাকা। দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর অবৈধ উপার্জনের পরিমাণ ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৬ টাকা।

দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, অনুসন্ধানে মহারাজ দম্পতির ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির মোট আয় পাওয়া গেছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার ৬৭৬ টাকা। ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তাঁর লেখাপড়ার ব্যয় ৬৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তাঁর মোট অর্জন ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার ৬৭৬ টাকা। অনুসন্ধানে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার ৪৮৪ টাকা। সে ক্ষেত্রে তাঁর অবৈধ অর্জন ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার ১৯২ টাকা।

মামলার এজাহারে দুদক বলেছে, ইফতি একজন শিক্ষার্থী হওয়ায় তাঁর নিজের কোনো আয়ের উৎস নেই। ওই টাকা তাঁর বাবা মহারাজ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জন করে ছেলের আয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন। ওই অবৈধ অর্থ ইফতির দখলে থাকায় তাঁকেও তাঁর বাবার সঙ্গে আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, পিরোজপুর এলজিইডি থেকে টেন্ডারের নামে কোনো কাজ না করে বিভিন্ন সময়ে ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করায় মহারাজের বিরুদ্ধে দুদক এর আগে আটটি দুর্নীতির মামলা করেছে, যা আদালতে বিচারাধীন।

প্রবন্ধের বই এবার কম

ভিকারুননিসার ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে এনসিপি-বিএনপি নেতা-কর্মীদের হাতাহাতি

‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও, মা কোন কবরে?’

নেত্রকোনায় স্কুলের সরঞ্জামাদি না কিনেই সাড়ে ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ

সিলেটে এক রাতে ১৬ ছিনতাইকারী আটক

চট্টগ্রামে ভবন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা

লিফট ছাড়াই চালু হবে পিরোজপুর ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল: প্রতিমন্ত্রী

গাংনীতে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৭

বরিশালে কীর্তনখোলা খেয়াঘাটে বাড়তি ভাড়া আদায় বন্ধের দাবি

শ্রীনগর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান অভিনেত্রী জাকিয়া কামাল মুন