পার্বত্য অঞ্চলে করোনার হটস্পট হয়ে উঠেছে খাগড়াছড়ি। প্রতিদিনই এখানে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। এতে আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে কোনো শয্যা খালি নেই।
৫০ শয্যার করোনা ইউনিট এখন রোগীতে ঠাসা। এ জন্য হাসপাতালে ছাদে টিনশেডের আরও ৩০ শয্যার করোনা ইউনিট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা পরিষদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন নূপুর কান্তি দাশ।
এদিকে গতকাল সোমবার জেলায় ৫০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে শনাক্তের হার দাঁড়ায় ৪০ দশমিক ৩২ শতাংশ। এর আগের দিন এ হার ছিল ৬১ শতাংশ।
খাগড়াছড়ি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, করোনা সংক্রমণ শুরুর পর হাসপাতালে ৫০ শয্যার করোনা ইউনিট প্রস্তুত করা হয়। বর্তমানে ৫০ বেডের করোনা ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৫৩ জন। ভর্তি রোগীর মধ্যে ৩০ জন করোনায় আক্রান্ত। এ ছাড়া করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন ২৩ জন। রোগীর বাড়তি চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।
এদিকে বাড়তি রোগী সামাল দিতে হাসপাতালের ছাদে টিন দিয়ে ৩০ শয্যার করোনা ইউনিট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ। সোমবার হাসপাতাল পরিদর্শনকালে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুপ্রুই চৌধুরী অপু এ সিদ্ধান্ত জানান।
মংসুপ্রুই চৌধুরী বলেন, ‘খাগড়াছড়িতে আশঙ্কাজনকহারে করোনা রোগী বাড়ছে। রোগীর চাপ সামাল দিতে জেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে হাসপাতালের ছাদের ওপর করোনা ইউনিট নির্মাণ করা হবে।’
ডা. নূপুর কান্তি দাশ বলেন, ‘করোনা ওয়ার্ডে কোনো শয্যা খালি নেই। প্রতিদিন রোগীর চাপ বাড়ছে। জরুরি ভিত্তিতে টিনশেড করোনা ইউনিট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। নতুন ইউনিটে রোগীর সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা হবে।’